আমরা যারা মোবাইল দিয়ে ফেসবুকে চ্যাট করে থাকি তারা প্রায় সবাই EBUDDY সফটওয়ারটার সাথে পরিচিত।EBUDDY এর প্রধান সুবিধা হচ্ছে এটা দিয়া একসাথে অনেকগুলা ফেসবুক,ইয়াহু,জিমেইল আইডিতে কানেক্টেড থেকে চ্যাট করা যায়।কিন্তু গতকাল রাতে আমার ফেসবুক পেজে একটা জরিপ পরিচালনা করেছিলাম এই বিষয়ে 'আপনি ফেসবুকে চ্যাট করার জন্য কোন সফটওয়ারটা ইউজ করেন?'অনেককেই দেখলাম ebuddy use না করার পেছনে একটা সমস্যার কথা জানালো।সমস্যাটি হচ্ছে 'বর্তমান সময়ে দেখা যায় EBUDDY দিয়ে চ্যাট করে অফলাইনে চলে আসার পর ও অনেক সময় দেখা যায় EBUDDY আপনাকে আপনার ফেসবুক বন্ধুদের সামনে অনলাইনে দেখায়।কিন্তু তখন প্রকৃতপক্ষে আপনি তো অফলাইনে।যা অত্যন্ত বিব্রতকর।'একটা ছোট টিপস দ্বারা এই বিব্রতকর অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চাইলে আপনি এই লিঙ্কে ঢুকে http://m.facebook.com/settings/account/?password&refid=0 আপনার ফেসবুক পাসওয়ার্ড চেন্জ করে দিন।ব্যাস কাজ শেষ।এখন থেকে আর আপনাকে আপনার বন্ধুদের সামনে আপনি যখন অফলাইনে থাকবেন তখন আপনাকে আর অনলাইনে দেখাবে না।
Friday, 11 November 2011
Saturday, 29 October 2011
ইন্টারনেটের ভাষা বুঝুন
ইন্টারনেটে অনেক সময় বিভিন্ন ওয়েবসাইট দেখতে গেলে বিভিন্ন বার্তা পাওয়া যায়। যেমন: 502 Bad Gateway, 404 Not Found403 Forbidden, 400 Bad Request, 4xx Client Error, continue, 408 Request Timeout, 415 Unsupported Media Type, 450 Blocked by Windows Parental Controls, 500 Internal Server Error ইত্যাদি। কোনটার কী মানে, তা জেনে নিন—
502 Bad Gateway : এটি দিয়ে বোঝানো হয়, নির্দিষ্ট ওই সার্ভার প্রক্সি বা গেটওয়ে হিসেবে চলছিল। ডাউন স্ট্রিমে ত্রুটিপূর্ণ সাড়া পেয়েছে।
413 Request Entity Too Large : ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি পরিমাণ অনুরোধ সার্ভারে পাঠানো হয়েছে।
204 No Content : সার্ভারে কোনো উপাদান (কন্টেন্ট) পাওয়া যায়নি।
203 Non-Authoritative Information (since HTTP/1.1) : সার্ভার যে তথ্য দিচ্ছে, তা অন্য কোনো সূত্র থেকে আসছে।
403 Forbidden : সার্ভার অনুরোধ গ্রহণ করেনি।
400 Bad Request : অনুরোধ যথাযথ প্রক্রিয়ায় করা হয়নি।
404 Not Found : বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে না, তবে পরে পাওয়া যেতে পারে।
410 Gone : বর্তমানে পাওয়া যায়নি এবং পরেও পাওয়া যাবে না।
408 Request Timeout : অনুরোধ করে সার্ভারের সাড়া পাওয়ার সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেছে।
502 Bad Gateway : এটি দিয়ে বোঝানো হয়, নির্দিষ্ট ওই সার্ভার প্রক্সি বা গেটওয়ে হিসেবে চলছিল। ডাউন স্ট্রিমে ত্রুটিপূর্ণ সাড়া পেয়েছে।
413 Request Entity Too Large : ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি পরিমাণ অনুরোধ সার্ভারে পাঠানো হয়েছে।
204 No Content : সার্ভারে কোনো উপাদান (কন্টেন্ট) পাওয়া যায়নি।
203 Non-Authoritative Information (since HTTP/1.1) : সার্ভার যে তথ্য দিচ্ছে, তা অন্য কোনো সূত্র থেকে আসছে।
403 Forbidden : সার্ভার অনুরোধ গ্রহণ করেনি।
400 Bad Request : অনুরোধ যথাযথ প্রক্রিয়ায় করা হয়নি।
404 Not Found : বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে না, তবে পরে পাওয়া যেতে পারে।
410 Gone : বর্তমানে পাওয়া যায়নি এবং পরেও পাওয়া যাবে না।
408 Request Timeout : অনুরোধ করে সার্ভারের সাড়া পাওয়ার সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেছে।
Tuesday, 25 October 2011
আপনি কি জানতে চান আপনার পিসির A-Z?
আমরা অনেকেই আমাদের পিসির সর্ম্পকে বিস্তারিত জানি না।
অনেক সময় দেখা যায়,হয়তো সাময়িক সময়ের জন্য অন্য কারো পিসি ব্যবহার করতে গেলে,অথবা অফিসের পিসিতে,বা বিদেশ থেকে পাঠানো পিসির ডিটেইল অনেকেরই জানা থাকে না।
অনেকেই জানে না,তার পিসির মাদারবোর্ডের ডিটেইল,বা তার পিসিতে যতগুলো সফটয়্যার ইনস্টল করা আছে,তাদের সম্পূর্ন তথ্য।আপনার বায়োস,গ্রাফিক্স কার্ড,সাউন্ড কার্ড,ডিভিডি রম ব...া মনিটরের ডিটেইল তথ্যই কি আপনার জানা আছে?
কিন্তু আপনার পিসিটি সর্ম্পকে কাউকে বিস্তারিত জানাতে গেলে,অথবা বিক্রি করতে গেলে এই তথ্য গুলো অতন্ত্য জরুরি হয়ে দাড়ায়।
উইনডোজ ৭ এ All Programs>Accessories>System Tools>System Information এ গিয়ে এই তথ্য গুলোর কিছুটা আপনি সহজেই জানতে পারবেন।
কিন্তু আপনি যদি আপনার পিসির A-Z সবটুকু জানতে চান,তবে আপনাকে ব্যবহার করতে হবে ৩মেগাবাইটের একটি ছোট সফটয়্যার।
এই সফটয়্যার এতটাই কাজের যে আপনার পিসির ব্রাউজারে সেভ করা পাসওয়ার্ড র্পযন্ত চাইলে আপনি দেখতে পাবেন।আপনি আপনার পিসির CPU & Memory Usage +CPU Temperature ,এমনকি CPU এর প্রতিটি Core এর আলাদা আলাদা Temperature দেখতে পারবেন ।
আপনি চাইলে আরো জানতে পারবেন ___
• Software Information: Operating System, Software Licenses (Product Keys / Serial Numbers / CD Key), Installed Software and Hotfixes, Processes, Services, Users, Open Files, System Uptime, Installed Codecs, Passwords Recovery, Server Configuration.
• Hardware Information: Motherboard, CPU, Sensors, BIOS, chipset, PCI/AGP, USB and ISA/PnP Devices, Memory, Video Card, Monitor, Disk Drives, CD/DVD Devices, SCSI Devices, S.M.A.R.T., Ports, Printers.
• Network Information: Network Cards, Network Shares, currently active Network Connections, Open Ports.
• Network Tools: MAC Address Changer, Neighborhood Scan, Ping, Trace, Statistics, Broadband Speed Test
• Miscellaneous Tools: Eureka! (Reveal lost passwords hidden behind asterisks), Monitor Test, Shutdown / Restart.
• Real-time monitors: CPU, Memory, Page File usage and Network Traffic.
সফটয়্যারটির ব্যপারে আরও বিস্তারিত জানতে ঘুরে আসুন নিচের ঠিকানায়__http://www.gtopala.com/
এই সফটয়্যারের সম্পূর্ন আপনাদের বলার চাইতে আপনারা ব্যবহার করলেই অতি সহজে এর প্রতিটি কাজ বুঝতে পারবেন + এতটুকু বলতে পারি আপনার এই ৩মেগাবাইট ডাউনলোড বৃথা যাবে না।
ডাউনলোড লিংক :http://www.mediafire.com/?bhd9 barzl8ajzra
এখানে এর সিরিয়াল কি সহ দেয়া আছে,তা দিয়ে রেজিস্ট্রেশান কমপ্লীট করুন + কখনো আপডেট করবেন না।
যাদের কাছে ভালো লেগেছে,লাইক + কমেন্ট করতে ভুলবেন না প্লীজ ___
অনেক সময় দেখা যায়,হয়তো সাময়িক সময়ের জন্য অন্য কারো পিসি ব্যবহার করতে গেলে,অথবা অফিসের পিসিতে,বা বিদেশ থেকে পাঠানো পিসির ডিটেইল অনেকেরই জানা থাকে না।
অনেকেই জানে না,তার পিসির মাদারবোর্ডের ডিটেইল,বা তার পিসিতে যতগুলো সফটয়্যার ইনস্টল করা আছে,তাদের সম্পূর্ন তথ্য।আপনার বায়োস,গ্রাফিক্স কার্ড,সাউন্ড কার্ড,ডিভিডি রম ব...া মনিটরের ডিটেইল তথ্যই কি আপনার জানা আছে?
কিন্তু আপনার পিসিটি সর্ম্পকে কাউকে বিস্তারিত জানাতে গেলে,অথবা বিক্রি করতে গেলে এই তথ্য গুলো অতন্ত্য জরুরি হয়ে দাড়ায়।
উইনডোজ ৭ এ All Programs>Accessories>System Tools>System Information এ গিয়ে এই তথ্য গুলোর কিছুটা আপনি সহজেই জানতে পারবেন।
কিন্তু আপনি যদি আপনার পিসির A-Z সবটুকু জানতে চান,তবে আপনাকে ব্যবহার করতে হবে ৩মেগাবাইটের একটি ছোট সফটয়্যার।
এই সফটয়্যার এতটাই কাজের যে আপনার পিসির ব্রাউজারে সেভ করা পাসওয়ার্ড র্পযন্ত চাইলে আপনি দেখতে পাবেন।আপনি আপনার পিসির CPU & Memory Usage +CPU Temperature ,এমনকি CPU এর প্রতিটি Core এর আলাদা আলাদা Temperature দেখতে পারবেন ।
আপনি চাইলে আরো জানতে পারবেন ___
• Software Information: Operating System, Software Licenses (Product Keys / Serial Numbers / CD Key), Installed Software and Hotfixes, Processes, Services, Users, Open Files, System Uptime, Installed Codecs, Passwords Recovery, Server Configuration.
• Hardware Information: Motherboard, CPU, Sensors, BIOS, chipset, PCI/AGP, USB and ISA/PnP Devices, Memory, Video Card, Monitor, Disk Drives, CD/DVD Devices, SCSI Devices, S.M.A.R.T., Ports, Printers.
• Network Information: Network Cards, Network Shares, currently active Network Connections, Open Ports.
• Network Tools: MAC Address Changer, Neighborhood Scan, Ping, Trace, Statistics, Broadband Speed Test
• Miscellaneous Tools: Eureka! (Reveal lost passwords hidden behind asterisks), Monitor Test, Shutdown / Restart.
• Real-time monitors: CPU, Memory, Page File usage and Network Traffic.
সফটয়্যারটির ব্যপারে আরও বিস্তারিত জানতে ঘুরে আসুন নিচের ঠিকানায়__http://www.gtopala.com/
এই সফটয়্যারের সম্পূর্ন আপনাদের বলার চাইতে আপনারা ব্যবহার করলেই অতি সহজে এর প্রতিটি কাজ বুঝতে পারবেন + এতটুকু বলতে পারি আপনার এই ৩মেগাবাইট ডাউনলোড বৃথা যাবে না।
ডাউনলোড লিংক :http://www.mediafire.com/?bhd9
এখানে এর সিরিয়াল কি সহ দেয়া আছে,তা দিয়ে রেজিস্ট্রেশান কমপ্লীট করুন + কখনো আপডেট করবেন না।
যাদের কাছে ভালো লেগেছে,লাইক + কমেন্ট করতে ভুলবেন না প্লীজ ___
কপি করুন নোকিয়া S40(জাভা) ফোন এর কপিরাইট প্রটেকটেড ফাইল! :D
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন? আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার দয়ায় ভাল আছেন।
আজ আপনাদের শিখাব কিভাবে নোকিয়ার 40(জাভা) ফোন এর কপিরাইট প্রটেকটেড ফাইল যেমন মোবাইল এর ডিফল্ট ওয়ালপেপার, থিম, রিংটোন ইত্যাদি মেমোরি কার্ড এ কপি করে অন্যকে দিতে পারবেন।
অনেক সময় দেখা যাই অন্যের নোকিয়া ফোন এর ওয়ালপেপার, থিম, রিংটোন ইত্যাদি আমাদের পছন্দ হয়ে যাই কিন্তু সেগুলি ব্লুটুথ দিয়ে নিতেও পারি না আবার কপিও করতে পারি না। আর তাছাড়া এইগুলা ইন্টারনেট এ পাওয়াও দুষ্কর। আমারও একবার এরকম হয়েছিল। নোকিয়া X2-00 এর থিম দেখে খুব ভাল লেগেছিল কিন্ত নিতে পারছিলাম না নিজের ফোন এ। যাইহোক এখন আমি পারি। আপনাদেরকেও শিখাব এখন। বকবক না করে কাজ শুরু করে দি।
আসলে এটা করতে কম্পিউটার এর প্রয়োজন হয় না, কোন সফটওয়্যার এর ও না।
চলুন শুরু করি।
প্রথমে যে মোবাইল এর কপিরাইট প্রটেকটেড ফাইল নিবেন সেই মোবাইল এর মিউজিক প্লেয়ার এ যান। এখানে আমি নোকিয়া২৭৩০ ব্যাবহার করেছি।

এরপর মূল প্লেয়ার এ প্রবেশ করুন।

Options এ ক্লিক করুন।

একটি মেনু পাবেন। মেনু থেকে Downloads এ ক্লিক করুন।

এরপর যে মেনু পাবেন ওটা টে Go to address এ ক্লিক করুন।

এরপর দেখতে পাবেন rtsp:// লেখা আছে। ওটা মুছে দিয়ে যে ফাইল টি কপি করবেন সেটার address দিবেন। এখানে আমি Monkey নামের থিম টি কপি করব তাই file:///c:/predefgallery/predefthemes/Monkey.nth লিখলাম।


OK অ্যাড্রেস বসানো হলে OK টে ক্লিক করুন। দেখবেন যে Downloading Monkey.nth দেখাচ্ছে। ভয় পাবেন না এতে মেগাবাইট খরচ হবে না।

মুহূর্তের মধ্যে কাজ হয়ে যাবে। এরপর সেই ফাইলটি যদি থিম হয় তাহলে Memory Card এর Themes ফোল্ডার এ, যদি ওয়ালপেপার/এনিমেশন হয় তাহলে Images ফোল্ডার এ, যদি রিংটোন হয় তাহলে Tones অথবা Music Files ফোল্ডার এ আর যদি ভিডিও হয় তাহলে Video Clips ফোল্ডার এ সেভ হবে। সেটা তখন আর কপিরাইট প্রটেকটেড থাকবে না মানে আপনি সেটা ব্লুটুথ এ সেন্ড করতে পারবেন, আবার কম্পিউটার এ কপি করতে পারবেন।
আপনাদের সুবিধার জন্য ওয়ালপেপার, থিম, রিংটোন এর অ্যাড্রেস দিয়ে দিচ্ছি।
ওয়ালপেপার এর জন্যঃ file:///c:/predefgallery/predefgraphics/predefwallpaper/ লিখে যে ওয়ালপেপারটি কপি করবেন সেটার নাম (ফরম্যাট এর নাম সহ)।
থিম এর জন্যঃ file:///c:/predefgallery/predefthemes/ লিখে যে থিমটি কপি করবেন সেটার নাম (ফরম্যাট এর নাম সহ)।
রিংটোন এর জন্যঃ file:///c:/predefgallery/predeftones/predefringtones লিখে যে রিংটোনটি কপি করবেন সেটার নাম (ফরম্যাট এর নাম সহ)।
ভিডিওর জন্যঃ file:///c:/predefgallery/predefvideos/ লিখে যে ভিডিওটি কপি করবেন সেটার নাম (ফরম্যাট এর নাম সহ)।
অন্য কিছু কপি করতে চাইলে আমাকে জানাবেন আমি অ্যাড্রেস দিব।
ধন্যবাদ! কোন সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন যদিও কোন সমস্যা হওয়ার কথা না। আল্লাহ হাফেজ।
আজ আপনাদের শিখাব কিভাবে নোকিয়ার 40(জাভা) ফোন এর কপিরাইট প্রটেকটেড ফাইল যেমন মোবাইল এর ডিফল্ট ওয়ালপেপার, থিম, রিংটোন ইত্যাদি মেমোরি কার্ড এ কপি করে অন্যকে দিতে পারবেন।
অনেক সময় দেখা যাই অন্যের নোকিয়া ফোন এর ওয়ালপেপার, থিম, রিংটোন ইত্যাদি আমাদের পছন্দ হয়ে যাই কিন্তু সেগুলি ব্লুটুথ দিয়ে নিতেও পারি না আবার কপিও করতে পারি না। আর তাছাড়া এইগুলা ইন্টারনেট এ পাওয়াও দুষ্কর। আমারও একবার এরকম হয়েছিল। নোকিয়া X2-00 এর থিম দেখে খুব ভাল লেগেছিল কিন্ত নিতে পারছিলাম না নিজের ফোন এ। যাইহোক এখন আমি পারি। আপনাদেরকেও শিখাব এখন। বকবক না করে কাজ শুরু করে দি।
আসলে এটা করতে কম্পিউটার এর প্রয়োজন হয় না, কোন সফটওয়্যার এর ও না।
চলুন শুরু করি।
প্রথমে যে মোবাইল এর কপিরাইট প্রটেকটেড ফাইল নিবেন সেই মোবাইল এর মিউজিক প্লেয়ার এ যান। এখানে আমি নোকিয়া২৭৩০ ব্যাবহার করেছি।
এরপর মূল প্লেয়ার এ প্রবেশ করুন।
Options এ ক্লিক করুন।
একটি মেনু পাবেন। মেনু থেকে Downloads এ ক্লিক করুন।
এরপর যে মেনু পাবেন ওটা টে Go to address এ ক্লিক করুন।
এরপর দেখতে পাবেন rtsp:// লেখা আছে। ওটা মুছে দিয়ে যে ফাইল টি কপি করবেন সেটার address দিবেন। এখানে আমি Monkey নামের থিম টি কপি করব তাই file:///c:/predefgallery/predefthemes/Monkey.nth লিখলাম।
OK অ্যাড্রেস বসানো হলে OK টে ক্লিক করুন। দেখবেন যে Downloading Monkey.nth দেখাচ্ছে। ভয় পাবেন না এতে মেগাবাইট খরচ হবে না।
মুহূর্তের মধ্যে কাজ হয়ে যাবে। এরপর সেই ফাইলটি যদি থিম হয় তাহলে Memory Card এর Themes ফোল্ডার এ, যদি ওয়ালপেপার/এনিমেশন হয় তাহলে Images ফোল্ডার এ, যদি রিংটোন হয় তাহলে Tones অথবা Music Files ফোল্ডার এ আর যদি ভিডিও হয় তাহলে Video Clips ফোল্ডার এ সেভ হবে। সেটা তখন আর কপিরাইট প্রটেকটেড থাকবে না মানে আপনি সেটা ব্লুটুথ এ সেন্ড করতে পারবেন, আবার কম্পিউটার এ কপি করতে পারবেন।
আপনাদের সুবিধার জন্য ওয়ালপেপার, থিম, রিংটোন এর অ্যাড্রেস দিয়ে দিচ্ছি।
ওয়ালপেপার এর জন্যঃ file:///c:/predefgallery/predefgraphics/predefwallpaper/ লিখে যে ওয়ালপেপারটি কপি করবেন সেটার নাম (ফরম্যাট এর নাম সহ)।
থিম এর জন্যঃ file:///c:/predefgallery/predefthemes/ লিখে যে থিমটি কপি করবেন সেটার নাম (ফরম্যাট এর নাম সহ)।
রিংটোন এর জন্যঃ file:///c:/predefgallery/predeftones/predefringtones লিখে যে রিংটোনটি কপি করবেন সেটার নাম (ফরম্যাট এর নাম সহ)।
ভিডিওর জন্যঃ file:///c:/predefgallery/predefvideos/ লিখে যে ভিডিওটি কপি করবেন সেটার নাম (ফরম্যাট এর নাম সহ)।
অন্য কিছু কপি করতে চাইলে আমাকে জানাবেন আমি অ্যাড্রেস দিব।
ধন্যবাদ! কোন সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন যদিও কোন সমস্যা হওয়ার কথা না। আল্লাহ হাফেজ।
Tuesday, 18 October 2011
Computer নতুন করে set up দেয়ার সময় করনীয় কিছু Important কাজ
প্রতিবার যখন আমরা নতুন করে Computer set up দেই ভাবি এবার আজেবাজে কোন software set up দেব না। কিন্তু প্রতিবারই আমরা আমাদের প্রতিজ্ঞা ভাঙ্গি, ফলে আমাদের Computer হয়ে যায় slow. ফলে আবার set up দেই। এব্যাপারে আমার কিছু মতামত আছে যা আজকে তুলে ধরার চেস্টা করেছি:
1. অপারেটিং System:
অনেক Blog এ দেখেছি যে বাজারে যে CD/DVD পাওয়া তা Windows XP ও Windows Vista এর modify করে install করার আগ্রহ তৈরী করার চেস্টা করে। এসব modify CD/DVD তে কিছু আকষর্নীয় থিম দেয়া থাকে আর থাকে কিছু software এর পুরাতন version. এসব থিমের লোভে পড়ে modified Windows XP বা Windows Vista install দিয়ে পড়ে মাথা চাপড়ান। কারন এত আপনার Computer এর performance কমে যায়। এসব অপারেটিং System এ এমনও হয় যে, কোন program খোলা না থাকলেও কয়েকশত মেগা RAM খেয়ে বসে থাকে। তাই এধরনের modified Windows XP বা Windows Vista install দেয়া থেকে বিরত থাকুন। শুধুমাত্র original Windows XP বা Windows Vista install দিন। এবং অবশ্যই খেয়াল রাখবেন Windows XP বা Windows Vista টি যেন latest হয়। যেমন: Windows XP service Pack 3 বা Windows Vista service Pack 1.
2. ব্রাউজার:
Internet Explorer হল আদি ব্রাউজার এবং এটি ধীর গতি সম্পন্ন । একই সাথে এটি ভাইরাসের FREE Rider. আর Mozilla Firefox দ্রুত এবং নিরাপদ। একই সাথে আছে আরো অনেক add on সুবিধা। এছাড়াও আপনি Opera ব্যবহার করতে পারেন।
Download:
Mozilla Firefox
Opera
3. WinZip / WinRAR:
প্রশ্ন হল আপনি কোনটা install দিবেন? নাকি দুইটাই? উত্তর হল WinRAR কারণ এটি দিয়ে আপনি Zip ও RAR ফাইল খুলতে পারবেন। কিন্তু WinZip দিয়ে আপনি Zip খুলতে পারবেন। আরো ভাল হয় যদি 7zip ব্যবহার করেন।
Download:
WinRAR
7 Zip
4. কিছু জরুরী software:
Windows set up দেয়ার পর আপনি কিছু software এর অভাব অনুভব করবেন। এগুলো হল: Adobe flash player, adobe shockwave, java directX. আমরা অনেকেই একটা জিনিস জানিনা তাহল Internet Explorer ও Mozilla Firefox এর জন্য Adobe flash player আলাদা version. মনে রাখরেন Adobe flash player না থাকলে আপনি Youtube , Facebook এর মত জনপ্রিয় সাইটগুলোতে কার্যত কিছুই করতে পারবেন না। Computer এ সবসময় এগুলোর latest version install দিন।
Download:
Adobe flash player (Internet Explorer)
Adobe flash player (Mozilla Firefox)
Adobe shockwave
Java
directX
5. পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম:
Computer পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা রাখতে CCleaner এর জুরি নেই। এটি নিমিষেই অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেলে। এচাড়াও আপনি নিচের registry cleaner গুলো ব্যবহার করতে পারেন।
CCleaner
Revo Uninstaller
Auslogics Disk Defrag
Smart Defrag
6. Internet Speed বৃদ্ধি:
কারো সাধ্য নেই আপনার আপনাকে ISP আপনাকে যে Speed দিবে তার থেকে নেটের Speed বাড়িয়ে দিবে। তবে তার পূর্ন ব্যবহার করা সম্ভব। আপনি যদি জেনুইন Windows XP বা Windows Vista এর মালিক না হন তবে অটোমেটিক আপডেট CTN বন্ধ করে রাখেন। না হলে এটি automatic update নেয়। ফলে আপনার Internet Speed কমে যায়। আর যদি এটি বন্ধ করে না রাখেন তবে একদিন দেখবেন নিচের Message দেখাবে :
You may be victim of software counterfeiting. This copy of Windows is not genuine.
এই software টি install করে এ সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। ভাল Antivirus ব্যবহার করুন। পারলে Antivirus কিনে ব্যবহার করুন। কারন আপনি যত বছরেরই free Antivirus use করেন না কেন তা আপনাকে সঠিক সুরক্ষা দিবে না। এবং Antivirus আবশ্যই automatic update দিয়ে রাখবেন।
7. আজাইড়া software set up দেয়া থেকে বিরত থাকুন:
আমরা অনেকেই power DVD বা WinDVD এর মত ভারী software set up দেই। আপনার গ্রাফিক্স কার্ড কি HD? আপনি কি Blu-ray ডিক্স বা HD DVD চালাবেন? নাহলে এসব software set up করা থেকে বিরত থাকুন। এগুলো আপার PC কে slow করে।
আপনি VLC Player বা KMP Player ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে আর অন্য কোন Player এর দরকার হবে না।
Adobe PDF Reader ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। কারন Adobe PDF Reader 7 virsion এর পর থেকে এটি slow হয়ে গেছে। আপনি Foxit PDF Reader ব্যবহার করতে পারেন।
ACDSee হলো আরেকটি আকাইমা software. এর চাইতে ছোট ও কাজের অনেক software আছে। যেমন: IrfanView.
Download:
VLC Player
KMP Player
Foxit PDF Reader
IrfanView
8. Antivirus ব্যবহার ও সুরক্ষা:
Free antivirus ব্যবহার করলে Avast বা Avira ব্যবহার করাই ভাল। ভাল Antivirus ব্যবহার করুন। পারলে Antivirus কিনে ব্যবহার করুন। কারন আপনি যত বছরেরই free Antivirus use করেন না কেন তা আপনাকে সঠিক সুরক্ষা দিবে না। এবং Antivirus আবশ্যই automatic update দিয়ে রাখবেন।
এতো কিছুর পরও আপনার Computer slow:
Computer চালু করার সময় কিছু অপ্রয়োজনীয় software একসাথে চালু হয়। সেগুলোর অনেকটিই আবার Task Bar এ ঘাপটি মেরে বসে থাকে। তাই অপ্রয়োজনীয় software গুলো যাতে Computer চালু করার সময় open না হয় তার ব্যবস্থা নিন। এ জন্য Start Manu থেকে Run গিয়ে লিখুন msconfig এবং enter চাপুন।
Startup নামক tab থেকে Computer চালু করার সময় যে সকল software open করতে না চান সেগুলো থেকে টিক উঠিয়ে দিন।
10. সবশেষে:
Desktop এ যতটা সম্ভব কম Icon রাখুন। দরকার হলে আলাদা আলাদা folder এ short cut icon গুলো রাখুন। folder গুলো categories অনুযায়ী নাম রাখুন। যেমন: Internet Software, Utility Software, Player and Converter . Internet থেকে যা পাবেন তাই download দিবেন না। যাচাই বাছাই করে নিবেন।
Mozilla Firefox ব্যবহার করলে Adblock add on টি ব্যবহার করুন।
অপারেটিং System যে ড্রাইভে আছে ঠেকায় না পড়লে সে ড্রাইভে Software Install দিবেন না। সব Important file অপারেটিং System ড্রাইভে বা C Drive ব্যতিত অন্য কোন Drive এ রাখুন।
কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ। এই নিরস লেখা পড়ে অনেকেই হয়ত জিমিয়ে পড়েছেন। তাই আপনাদের জন্য একটি ছোট কেীতুক :
এক লোক রাস্তায় দাড়ানো আর এক লোক কে জিজ্ঞেস করল,
ভাই বলেন তো রাস্তাটির দৈর্ঘ্ যদি হয় 20 মিটার
এবং রাস্তাটি পার হতে আমার সময় লাগে যদি 5 মিনিট
তাহলে আমার বয়স কত?
লোকটি হাসি মুখে জবাব দিল আপনার বয়স 24 বছর।
প্রথম লোকটি এবার জিজ্ঞেস করল, কিভাবে ঞল?
2য় লোকটি জবাব দিল- আমার এক ভাই আছে half পাগল , তার বয়স 12 বছর । আর আপনি full পাগল , সুতরাং
আপনার বয়স তার দ্বিগুন।
যে ৪টি উপায়ে আপনার ফেইসবুক পাসওয়ার্ড চুরি হতে পারে
বর্তমান যুগে ফেসবুক যেন প্রত্যেকের নিত্যদিনের সঙ্গী। প্রতিদিন অন্তত একবার করে ফেসবুক না দেখলে যেন চলেই না। আবার অনেকে তো প্রতি মুহুর্তেই মোবাইল ও বিভিন্ন উপায়ে ফেসবুকে থাকছেন। অর্থাৎ, প্রতিদিনের একটি অপরিহার্য্য অংশ হয়ে গেছে ফেসবুক। তারচেয়েও বড় ব্যাপার হলো, ফেসবুকে ব্যক্তিগত অনেক তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এছাড়াও আপনার ফেসবুকের নিরাপত্তা এতোটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, কেউ তা হাতে পেয়ে গেলে এর মাধ্যমে কেবল আপনার সম্পর্কে তথ্য চুরিই নয়, বরং আপনার চিত্রটাকেই সবার সামনে নষ্ট করে ফেলতে পারে।
ফেসবুকের পাসওয়ার্ড চুরি হয়ে গেলে কী হবে তা নিশ্চয়ই বিস্তারিত বলার প্রয়োজন নেই। আসুন জেনে নিই কীভাবে আপনি নিজের অজান্তেই ফেসবুকের পাসওয়ার্ড দিয়ে দিতে পারেন অন্যের হাতে।
ফেসবুক অ্যাপ্লিকেশন, কজ এবং বিজ্ঞাপন
এ কথা বারবারই বলা হয় যে, ফেসবুকের অসংখ্য অ্যাপ্লিকেশনের অধিকাংশই নিরাপদ নয়। কিছুদিন আগে ফার্মভিলের মতো সর্বাধিক জনপ্রিয় কিছু অ্যাপ্লিকেশন ও গেমও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুসারে স্বীকার করেছে যে, তারা বিজ্ঞাপনের স্বার্থে তাদের ব্যবহারকারীদের কিছু তথ্য দিয়েছে। এছাড়াও অসংখ্যা অ্যাপ্লিকেশনের ভাণ্ডারে হঠাৎই হয়তো এমন কোনো অ্যাপ্লিকেশন থেকে আপনাকে রিকোয়েস্ট বা ইনভাইট পাঠানো হলো যেটা এমন পাসওয়ার্ড চুরি করে এবং এখন পর্যন্ত ধরা পড়েনি।

আসল কথা হলো, এসব অজানা-অচেনা কজ, অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদি থেকে যত দূরে থাকা যায় ততই ভালো। অন্যথায় এসবের মাধ্যমে আপনার পাসওয়ার্ড বা অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্যাদি হ্যাকারদের হাতে চলে যাওয়াসহ আপনার অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণই চলে যেতে পারে।
ফেসবুক ইমেইল ফিশিং
ইমেইলের মাধ্যমেও আবার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড চুরির শিকার হতে পারেন একটু অসতর্ক হলেই। অনেক চালাক হ্যাকাররা ঠিক ফেসবুক নোটিফিকেশনের মতো করে ইমেইল তৈরি করে এবং তা ফেসবুকের মতোই কাছাকাছি কোনো ডোমেইন থেকে ইমেইল আকারে পাঠায়। এসব ইমেইলে থাকা লিংকগুলো ক্লিক করলে যে সাইটটি ওপেন হবে সেটাও অবিকল ফেসবুকের মতোই হবে। কিন্তু মূলত এটি ফিশিং সাইট। এর ফলে, আপনার ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড নিশ্চিন্তে হ্যাকার মশাইরা পেয়ে যাচ্ছে।

এসব আক্রমণ থেকে বাঁচতে সবসময় ইমেইলের লিংকে ক্লিক করার আগে দেখে নেয়া উচিৎ তা facebook.com ঠিকানাতেই যাচ্ছে কি না। কারণ, যত যা-ই হোক। ফেসবুকের ঠিকানা ঠিক থাকলে লগইন করতে আর কোনো ঝামেলা নেই।
ফেসবুক শেয়ার বাটন
থার্ড পার্টি সাইটের বিভিন্ন কন্টেন্ট যেমন পোস্ট, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি ফেসবুকে শেয়ার করার জন্য শেয়ার বাটন যুক্ত করা থাকে। মূলত ব্যবহারকারীর সুবিধার্থেই এই ফেসবুক শেয়ার বাটনগুলো যুক্ত করা হয়। কিন্তু এই শেয়ার বাটনও কিন্তু আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড চুরির কারণ হতে পারে।
অনেক হ্যাকাররা তাদের সাইটে শেয়ার বাটন নিজেরা যোগ করে এবং সেখানে ক্লিক করলে যেই সাইট ওপেন হয়, সেটা ফেসবুকের মতো দেখতে হলেও তা আসলে ফিশিং সাইট। আপনি ফেসবুক মনে করে লগইন করার চেষ্টা করতে গেলেই আপনার পাসওয়ার্ড চলে যাবে তাদের হাতে।

এক্ষেত্রেও আপনি যদি সতর্ক থাকেন তাহলে ফিশিং সাইট এড়াতে পারবেন। কেবল খেয়াল রাখবেন যেই লিংকে ক্লিক করছেন, তা facebook.com কি না।
পাবলিক কম্পিউটারে লগইন
সাইবার ক্যাফে বা এ জাতীয় পাবলিক কম্পিউটারে লগইন করার সময়ও সতর্ক থাকতে হবে। সাইবার ক্যাফে থেকে লগইন করার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হচ্ছে কি-লগার। অনেক সফটওয়্যার আছে যেগুলো কম্পিউটারে থাকলে আপনি ব্রাউজিং করার সময় ব্যবহৃত সব পাসওয়ার্ড সেইভ করে ফেলে। তবে ফায়ারফক্স বা ক্রোম ব্যবহার করলে এই ঝুঁকি থাকে না বলেই জানা গেছে। তবে আরেকটি সাধারণ ভুল অনেকেই করেন তা হলো remember me/keep me logged in বক্সে টিক দিয়ে লগইন করেন। অথবা পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করার অনুমতি চাইলে অনেকে না বুঝেই বা তাড়াহুড়োয় সেইভ করে ফেলেন। এতে করে আপনার অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড চুরি না হলেও আপনার অ্যকাউন্টে অন্য কেউ অ্যাক্সেস পেয়ে যাচ্ছে যা সমানভাবেই ক্ষতিকর।

অতএব, আমাদের সবারই উচিৎ কেবল ফেসবুকই নয়, বরং ইমেইলসহ যাবতীয় সব পাসওয়ার্ড নিরাপদ রাখার ব্যাপারে সতর্ক হওয়া এবং বিশেষ করে কোনো সাইটে লগইন করার আগে বা পাসওয়ার্ড দেয়ার আগে এবং ইমেইলে আসা লিংকে ক্লিক করার আগে নিশ্চিত হয়ে নেয়া যে ইমেইলটি বা ওয়েবসাইটটি ফিশিং সাইট নয়। তাহলে ফেসবুকসহ যাবতীয় সব পাসওয়ার্ড নিরাপদ রাখা সম্ভব হবে।
কম্পিউটার পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট এর টুকটাক
পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট বা পিএসইউ(PSU) এর বেসিক কাজ হচ্ছে আমাদের বিদ্যুৎ লাইনের থেকে ইলেক্ট্রিসিটি সংগ্রহ করে তাকে কনভার্ট করা। আমাদের বিদ্যুৎ এর লাইনে থাকে ২২০ থেকে ২৪০ ভোল্ট (নর্থ আমেরিকা, সাউথ আমেরিকার কিছু অংশে, জাপান এবং তাইওয়ান এ কিন্তু ১১০ থেকে ১১৭ ভোল্ট ) এবং তা AC মুডে থাকে। আমাদের কম্পিউটার এর পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট টি এই বিদ্যুৎ কে ১২, ৬ এবং ৩.৩ ভোল্ট- DC, তে কনভার্ট করে।
রেটিংঃ
যদিও আমরা সবাই জানি ওয়াট (watt) কি, তার পরেও আসুন অনেক দিন আগের জানা টাকে একটু ঝালাই করে নেই;
ওয়াট = ভোল্টেজ x এম্পেয়ার (W= V x A)
সাধারনত সব ধরনের কম্পিউটার এর কাজের জন্য সব ধরনের পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট এর দরকার হয় না। যেমন;
- যে সমস্ত কম্পিউটার এ শুধু মাত্র টুক টাক কাজ করা হয়, (ইন্টারনেট সার্ফিং, মুভি দেখা, খুবি ছোট গেম খেলা, মাইক্রোসফট অফিস এ কাজ করা) তাদের জন্য ৩০০ ওয়াট এর একটি পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট যথেষ্ট।
- মাঝারি ধরনের একটি গেমিং পিসির জন্য পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট হওয়া উচিত, ৫০০ থেকে ৮০০ ওয়াট এর।
- হাই এন্ড পিসি র জন্য দরকার ৮০০ থেকে ১৪০০ ওয়াট এর পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট।
- খুবি শক্তিশালি সার্ভার (বেশির ভাগ ক্ষেত্রে গেমিং সার্ভার) এর জন্য ২ কিলো ওয়াট এর পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট লাগতে পারে।
ধরুন আপনি একটি পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট কিনতে বাজারে গেলেন। দোকানদার আপনার সামনে দুটি পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট রেখে বললেন, আপনি যেটা নিতে চান। একই দাম দুইটার।
আপনি পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট এর গায়ে দেখলেন, দুটোর দুই ধরনের রেটিং করা, একটি তে লিখা আছে। “peak rating of 550 watts at 25°C, with 25 amps (300 W) on the 12 volt line”
অপরটিতে লিখা আছে, “ continuous rating of 450 watts at 40°C, with 33 amps (400 W) on the 12 volt line”
আপনি বলুন কোনটি নেবেন ? আমি কিন্তু দ্বিতীয় টি নিবো, কেন জানেন? দেখুন ২য় টি আপনাকে সবসময় ৪৫০ ওয়াট সাপ্লাই করতে পারে, যেখানে প্রথম টি আপনাকে সর্বোচ্চ (সব সময় নয় কিন্তু) ৫৫০ ওয়াট দিতে পারে।

কার জন্য কত ওয়াট দরকারঃ
- নরমাল এজিপি কার্ডঃ ২০ থেকে ৩০ ওয়াট।
- পিসিআই কার্ডঃ ৫ ওয়াট
- SCSI পিসিআই কার্ডঃ ২০ থেকে ২৫ ওয়াট।
- ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভঃ ৫ ওয়াট
- নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ডঃ ৪ ওয়াট
- সিডি রম ড্রাইভঃ ১০ থেকে ২৫ ওয়াট।
- র্যামঃ ১০ ওয়াট (প্রতি ১২৮ মেগাবাইটের জন্য)
- ৫৪০০ আর পি এম হার্ড ড্রাইভঃ ৫ থেকে ১১ ওয়াট
- ৭২০০ আর পি এম হার্ড ড্রাইভঃ ৫ থেকে ১৫ ওয়াট
- মাদারবোর্ড (সিপিউ, র্যাম ছাড়া)ঃ ২০ থেকে ৩০ ওয়াট।
OLYMPUS DIGITAL CAMERAগঠনঃ
বেশির ভাগ পি এস ইউ স্কোয়ার শেপ, মেটাল বক্সের মধ্যে থাকে। সাধারনত দৈর্ঘ ৮৬ মিলিমিটার; প্রস্থ ১৫০ মিলিমিটার; এবং উচ্চতা ১৪০ মিলিমিটার;
কানেক্টরঃ

কমবেশি সাত ধরনের কানেক্টর দেখাযায় এখনকার দিনের এ টি এক্স পাওয়ার সাপ্লাই এ। এগুলো হচ্ছে,
২৪ পিন এ টি এক্স (P1)ঃ মাদারবোর্ড এ পাওয়ার সাপ্লাই করে থাকে। সবচাইতে বড় এই কানেক্টরটি তে মোট ২৪ টি পিন থাকে, আসুন দেখে নেই এই ২৪ টি পিনের কোনটি কি কাজ করে,

টিপসঃ ছোট্ট একটা টিপস বলি, আপনার পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট কাজ করছে কি না, জানার জন্য, ২৪ পিন এ টি এক্স কানেক্টর টির সবুজ এবং কালো রঙ এর পিন দুটি কে সর্ট করে দিন। এবার পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট টি চালু করে দেখুন, ফ্যান ঘুরছে ? ঘুরলে আপনার পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট টি কাজ করছে। (বিঃ দ্রঃ এটি একটি খুবি প্রাথমিক পরীক্ষা।)
৪ পিন মোলেক্স (4 pin molex): কম্পিউটার এর বিভিন্ন পেরিফেরাল কে চালাবার জন্য এই ৪ পিন এর কানেক্টর টি ব্যবহার করা হয়। যেমন, হার্ড ড্রাইভ, সিডি / ডিভিডি রম ইত্যাদি। লক্ষ্যনীয় বিষয় হচ্ছে, হলুদ রঙ এর তারে +১২ ভোল্ট, লালে +৫ ভোল্ট, এবং কালো হচ্ছে গ্রাউন্ড।
৪ পিন এফ ডি ডি কানেক্টরঃ এই কানেক্টর টী শুধু মাত্র ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ এ পাওয়ার সাপ্লাই দেয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়।একে অনেক সময়, মিনি মোলেক্স বলেও ডাকা হয়। এখানেও লক্ষ্যনীয় বিষয় হচ্ছে, হলুদ রঙ এর তারে +১২ ভোল্ট, লালে +৫ ভোল্ট, এবং কালো হচ্ছে গ্রাউন্ড।
৪ পিন, পি৪_১২ভোল্টঃ এই পিন্ টি এ টি এক্স পি এস ইউ এর নতুন সংযোজন।একে পি৪ পাওয়ার কানেক্টর বলেও ডাকা হয়। পেন্টিয়াম ৪ প্রসেসর থেকে এর যাত্রা শুরু। পেন্টিয়াম ৪ প্রসেসর এর জন্য আলাদা ভাবে ১২ ভোল্ট বিদ্যুৎ প্রদান করাই এর কাজ।
সিরিয়াল এ টি এ পাওয়ার কানেক্টরসঃ আমাদের কম্পিউটার এর সাটা হার্ড ড্রাইভ এবং সাতা সিডি/ ডিভিডি রমের জন্য একটি স্পেশাল ধরনের ১৫ পিনের পাওয়ার কানেক্টর। এই ১৫ পিনের মধ্যে, ৩.৩ , ৫ এবং ১২ ভোল্ট সাপ্লাই হয়।
৬ পিন পিসিআই এক্সপ্রেস পাওয়ার কানেক্টরঃ আধুনিক যুগের গ্রাফিক্স কার্ড গুলো যে অনেক বেশি পরিমান বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, তাতো আমরা আগেই জেনে গেছি।আধুনিক বেশ কিছু গ্রাফিক্স কার্ড এর জন্য এই ৬ পিন পিসিআই এক্সপ্রেস পাওয়ার কানেক্টর, যা গ্রাফিক্স কার্ড কে আলাদা ৭৫ ওয়াট পর্যন্ত পাওয়ার দিতে সক্ষম।
৬ পিন আউক্স পাওয়ার কানেক্টরঃ এই পাওয়ার কানেক্টর টির, সাধারন কম্পিউটার এ তেমন একটা কাজে না লাগলেও বিভিন্ন ধরনের এক্সপেনশন কার্ড এ এই ধরনের পাওয়ার কানেক্টর ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
কিছু তথ্যঃ
- আপনি জানেন কি, একটি পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট এর গড় আয়ু কত ? খুব বেশি না, মাত্র ১ লক্ষ্য ঘন্টা বা ১১ বছর (প্রায়)। তবে এটা নির্ভর করে, আপনি আপনার কম্পিউটার এর পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট এর কিভাবে যত্ন নিচ্ছেন। পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট টি কি বেশি গরম করে ফেলছেন ? ঠিক মতন এর গরম বাতাস যেন বের হয়ে যায়, সে দিকে লক্ষ্য রাখছেন ? এর ফ্যানে যেন ধুলা বালি না জমে তা দেখছেন তো ? ইত্যাদি।
- যে কম্পিউটার সিস্টেম এ ঠান্ডা বাতাস চলাচলের সব রকমের ব্যবস্থা আছে, সেই কম্পিউটার এর পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট টি ততো ভালো থাকে।
- আধুনিক পাওয়ার সাপ্লাই গুলো এমন ভাবে তৈরী যে, আপনার কম্পিউটার কে সাট ডাউন করে রাখলেও আপনার কী বোর্ড এর কী বোর্ড পাওয়ার অন (Key Board Power ON – KBPO), Wake- On- LAN, Wake-On- Ring , পদ্ধতিতে চালু করে ফেলতে পারবেন।
বায়োস সেটিং বা পাসওয়ার্ড ভাঙ্গার ৫ টি উপায়
বায়োস পাসওয়ার্ড দেওয়া হয় সাধারনত কিছু অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য। অনেকেই এটা ইউজ করেন বায়োস সেটিং রোধে বা বুটিং রোধে। কিন্তু মাঝে মাঝে এই অতিরিক্ত নিরাপত্তাই বিরক্তির কারন হতে পারে যদি আপনি পাশওয়ার্ড ভুলে যান বা কেউ উদ্দেশ্য প্রনীতভাবে এটা পরিবর্তন করে ফেলে। কিন্তু ত্যাতে ভয় পাবার কোন কারন নেই।
যে সকল উপায়ে বায়সের পাশওয়ার্ড রেসেট/রিমোভ বা বাইপাশ করা যায় তা হলঃ
* CMOS খুলে
* মাদারবোর্ড এর jumper ব্যবহার করে
* MS DOS কমান্ড ব্যবহার করে
* সফটওয়ার ব্যবহার করে
* ব্যকডোর BIOS পাশওয়ার্ড ব্যবহার করে
বিঃদ্রঃ এই পোষ্টটটি অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীদের জন্য। এটা সাধারন ব্যবহারকারী/হ্যাকারদের জন্য প্রযোজ্য নহে। অনুগ্রহ করে এটা প্রয়োগ করবেননা যদি আপনি হার্ডওয়ার এর কাজের সাথে পরিচিত না হন। কোন ধরনের সমস্যা বা ক্ষয়ক্ষতির জন্য লেখক দায়ী নন। তাই এটা অনুসরন করুন নিজ দায়িত্বে।
১. CMOS ব্যটারিঃ

- প্রথমে পিসির পাওয়ার আন-প্লাগ বা বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করুন
- তারপর স্বযত্নে সিপিইউ এর কেসিং খুলুন
- ভিতরে খুব ভাল ভাবে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন যে ভিতরে মাদার বোর্ডের মধ্যে একটা পাতলা সিলভার কালারের CmoS ব্যাটারি আছে।
- সেখান থেকে সিমস ব্যাটারিটি খুলে আনুন, এবং ১৫-২৫ মিনিট এটাকে অন্যত্র রেখে দিন।
- এরপর আবার একই ভাবে সিমস ব্যাটারিটি আগের যায়গায় সেট করে দিন।
- আশা করি আপনার বায়োসের পাশওয়ার্ড রিসেট হয়ে গেছে। যদি না হয় সেক্ষেত্রে এটাকে ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত ও রাখাওতে হয় কোম্পানি ও কেইস ভেদে।
২. মাদারবোর্ডের Jumper ব্যবহার করেঃ

কম বেশি সব মাদারবোর্ড এরই জাম্পার আছে যা সিমসের সব সেটিংস ক্লিয়ার করতে পারে বায়োস পাশওয়ার্ড সহ। মাদারবোর্ডের ব্র্যান্ডের উপর নির্ভর করে এই জাম্পারের অবস্থান নির্ভর করে। মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল পড়ে আপনি এটা জানতে পারেন বা নেটে সার্চ দিয়ে। আর ম্যানুয়াল না থাকলে আপনি ফিজিকালি দেখেতে পারেন সিমোস ব্যাটারির আশে পাশে। অধিকাংশ ম্যানুফেকচারার এরই CLR, CLEAR, CLEAR CMOS, ইত্যাদি দ্বারা লেভেল করে থাকে। জাম্পার খুজে পেলে সাবধানে এবং ভাল ভাবে খেয়াল করে দেখুন জাম্পারটি ৩ পিন বিশিষ্ট একটা সেটের মাঝের পিনের সাথে অন্য ডানের বা বামের পিনের সাথে কানেক্ট করা।

আপনাকে যা করতে হবে জাম্পারটি খুলে নিয়ে ঠিক মাঝের পিনের সাথে বিপরীত পিন কানেক্ট করিয়ে দিন।যেমন ১ ২ ৩ টি পিন হয়, এবং প্রথমে যদি ১ ২ কানেক্টেড থাকে পরে খুলে আপনাকে ২ ৩ কানেক্ট করিয়ে দিতে হবে। এখন কিচুক্ষন(মিনিট খানেক) অপেক্ষা করুন। তারপর আবার আগের মত লাগিয়ে দিন। তবে অবশ্যই খেয়াল করবেন যেপিসি খোলার পুর্বে এবং জাম্পার পরিবর্তনের সময় যেন পিসির পাওয়ায় সাপ্লাই ইউনিট বন্ধ থাকে।
৩. MS DOS কমান্ড ব্যবাহার করেঃ
এই পদ্ধতি কাজ করবে তখনই যখন আপনার সিষ্টেম চালু থাকবে, কারন এটা কাজ করতে হয় MS DOS এ। কমান্ড প্রম্পট ওপেন করুন ষ্টার্ট করুন START>>RUN>>cmd>>Enter। তারপর একে একে নিচের কমান্ড গুলো দিন।
debug
o 70 2E
o 71 FF
quit

লক্ষ্য করুনঃ এখানে প্রথম লেটারটি ইংরেজি o কেউ ভুলেও এটাকে অংক 0 মানে শূন্য মনে করবেন না। উপরের কমান্ড গুলো দেবার পরে আপনার সিষ্টেম রিষ্টার্ট দিন। কাওরন এই কমান্ডগুলো আপনার সিমোস সেটিং রেসেট করে দিবে সাথে সাথে পাশওয়ার্ড ও। আপনি যদি জানতে চান কিভাবে এটা কাজ করছে তাহলে শুনুন।
এই পদ্ধতিতে আমরা MS DOS এর ডিবাগ টুলস ইউজ করি। o ক্যরেক্টারটি কমান্ডগুলোর প্রথমে বসে IO পোর্টের আউটপুট ভেলু বুঝায়। ৭০ ও ৭১ বুঝায় পোর্ট নাম্বার যা সিমোস মেমরিতে প্রবেশে ব্যবহৃত হয়। FF দ্বারা আমরা সিমোসকে বলি যে অখানে ইনভেলিড চেকসাম আছে, আর এই কমান্ডের সাথে এটাকে রেসেত করে যা বায়স পাশওয়ার্ডকেও রেসেট করে।
৪. সফটওয়ার ব্যবহার করেঃ
অনেক সফটওয়ার আছে যেগুলো সিমোসের সেটিংস বা পাশওয়ার্ড অথবা দুইটাই করতে পারে মুহুর্তের মধ্যেই। কিন্তু ঐ যে উপরে উল্লেখ করেছি, এটা করতে হলে আপনাকে পিসির এডমিন একাউন্টে ঢুকে থাকতে হবে যেখান থেকে এটা উইন্ডোজের ডসে কাজ করবে।
CmosPwd [http://www.facebook.com/topic.php?uid=84918604377&topic=16150]
৫. ব্যাকডোর বায়োস পাশওয়ার্ড দিয়েঃ
অনেক মাদারবোর্ড প্রস্তুতকারী কোম্পানি একটা পাশওয়ার্ড দিয়ে রাখে যা মাষ্টার পাশওয়ার্ড হিসেবে পরিচিত। এই মাষ্টার পাশওয়ার্ড শুধু মাত্র টেষ্ট ও ট্রাবলশুট করার জন্য তৈরী করা হয়। চলুন নিচে থেকে জেনে নিই বেশ কিছু কোম্পানির পাশওয়ার্ড।
AMI এর বায়োস পাশওয়ার্ডঃ
AWARD এর বায়োস পাশওয়ার্ড
A.M.I.
AAAMMMIII
AMI?SW
AMI_SW
AMI
BIOS
CONDO
HEWITT RAND
LKWPETER
MI
Oder
PASSWORD
PHOENIX এর বায়োস পাশওয়ার্ডঃ
01322222
589589
589721
595595
598598
ALFAROME
ALLy
aLLy
aLLY
ALLY
aPAf
_award
award
AWARD_SW
AWARD?SW
AWARD SW
AWARD PW
AWKWARD
awkward
BIOSTAR
CONCAT
CONDO
Condo
d8on
djonet
HLT
J64
J256
J262
j332
j322
KDD
Lkwpeter
LKWPETER
PINT
pint
SER
SKY_FOX
SYXZ
syxz
shift + syxz
TTPTHA
ZAAADA
ZBAAACA
ZJAAADC
Misc এর কমন পাশওয়ার্ডঃ
BIOS
CMOS
phoenix
PHOENIX
ALFAROME
BIOSTAR
biostar
biosstar
CMOS
cmos
LKWPETER
lkwpeter
setup
SETUP
Syxz
Wodj
অন্যান্য ম্যানুফেকচারারের BIOS পাশওয়ার্ডঃতথ্যসূত্র:http://www.bigganprojukti.com/post-id/8046
VOBIS & IBM – merlin
Biostar – Biostar
Compaq – Compaq
Dell – Dell
Enox – xo11nE
Epox – central
Freetech – Posterie
IWill – iwill
Jetway – spooml
Packard Bell – bell9
QDI – QDI
Siemens – SKY_FOX
TMC – BIGO
Toshiba – Toshiba
নিজের ছবি প্রফেশনালদের মতো এডিট করুন খুব সহজেই !!
আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব অসাধারন একটি ফটোএডিটিং সফ্টওয়ারের সাথে যার নাম PhotoInstrument।
যা যা করতে পারবেন PhotoInstrument দিয়েঃ
- ছবির অনাকাংক্ষিত অংশ যেমন ব্রন,মেছতা,ছুলি,মোটাজনিত দাগ, চোখের নিচের কাল দাগ নিমিষেই মুছে দিতে পারবেন কোন ক্রিম বা সাবান ছাড়াই।
- লাল চোখকে কাল মানে রেড আই সমস্যা দূর করা যাবে খুব সহজেই।
- ছবির অপ্রোয়জনিয় অংশ গায়েব করে দিতে পারবেন।
- মোটা স্বাস্থ্য চিকন করতে পারবেন।
- ঘোলা স্কিন পরিস্কার করতে পারবেন।
- বিউটি পার্লারে না গিয়েই ছবিতে মেক আপ করতে পারবেন।
এবার চলুন হাতে কলমে প্রমান দেখি।
ছবির অনাকাংক্ষিত অংশ যেমন ব্রন,মেছতা,ছুলি,মোটাজনিত দাগ, চোখের নিচের কাল দাগ নিমিষেই মুছে দিতে পারবেন কোন ক্রিম বা সাবান ছাড়াই।
আগে

পরে

ছবির অপ্রয়োজনীয় অংশ গায়েব করে দিতে পারবেনঃ
আগে

কাজ চলছে....

পরে

মোটা স্বাস্থ্য চিকন করতে পারবেনঃ
আগে

পরে

বিউটি পার্লারে না গিয়েই ছবিতে মেক আপ করতে পারবেনঃ


ভাবছেন ব্যবহার করা কঠিন? মোটেও না। সাথে ভিডিও টিউটোরিয়াল দেওয়া আছে। চোখ বন্ধ করে ছবি এডিট করতে পারবেন।

বিস্তারিত দেখুন এখানে==http://www.photoinstrument.com/index.html
ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://www.photoinstrument.com/PhotoInstrument_setup.exe
PhotoInstrument 4.2 Build 430
ফুল ভার্শন করতে সিরিয়াল কী ডাউনলোড করুন এখানে ==http://www.mediafire.com/file/2g2r5xig95kt12l/PhotoInstrument%20Serial.txt
যাদের সিরিয়াল কী দিয়ে ফুল ভার্শন করতে সমস্যা হচ্ছে তাদের বলছি এখান [http://www.mediafire.com/?lfj8i1wh6lt41j6] থেকে ক্র্যাক ফাইলটি ডাউনলোড করুন। তারপর ফাইলটি আনজিপ করুন।এখন ক্র্যাক ফাইলটি ইন্সটল করা ফোল্ডার অর্থাৎ C:\Program Files\PhotoInstrument এখানে কপি পেস্ট করুন। ব্যস হয়ে গেল।
তথ্যসূত্র:http://techtunes.com.bd/photography/tune-id/38993/
আপনার অনেকগুলো ইমেইল আইডি?......তাহলে পোষ্টটি আপনার জন্য......
তাহলে আপনাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় মেইল আইডি কয়টা ব্যবহার করেন? আপনার সোজা সাপ্টা উত্তর নিশ্চয়ই হবে অসংখ্য! কারন বিভিন্ন কারনে বেশ কয়েকটা মেইল আইডি এমনিতেই দরকার হয়। তাহলে এত মেইল আইডি চেক করেন কি করে? নিশ্চয়ই প্রত্যেকবার ঝামেলা করে লগ ইন করতে হয়? তাছাড়া কোন নতুন মেইল আসলে জানতেই পারছেন না যদি না লগ ইন থাকেন।
আচ্ছা এমন হলে কেমন হয় ধরেন আপনার সব আইডির যেকোন একটাতে যদি নতুন মেইল আসে তাহলে ডেস্কটপে সেটা নোটিফাই হবে। শুধু তাই না! আপনি ইচ্ছা করলে ডেস্কটপ থেকেই মেইল পড়তে পারবেন এবং পাঠাতে পারবেন। ইচ্ছা করলে সব মেইল ব্যাকআপ রাখতে পারবেন। সব চেয়ে বড় কথা এসব কিছুই ফ্রী!! এই অসাধারণ সফটওয়্যারের নাম হলো POP Peeper।

এক নজরে POP Peeper এর সুবিধাঃ
- জনপ্রিয় সব ইমেইল প্রভাইডারের সাপোর্ট। যেমনঃ
- Gmail
- Hotmail
- Live
- Yahoo
- অটোমেটিক ১৫ মিনিট পর পর ইমেইল চেক।
- সাব্জেক্ট,প্রেরক এবং মেইল দেখার সুযোগ সাথে সাথেই।
- পছন্দ অনুযায়ি সাউন্ড সিলেক্ট করা।
- আনলিমিটেড ইমেইল আইডি যুক্ত করার সুবিধা।
- সর্বোচ্চ নিরাপদ সিকিউরিটি সিস্টেম।
- ইমেইল বেক আপ রাখার সুবিধা।
- পছন্দের স্কিন সেট করার সুবিধা।
- ডেস্কটপ থেকেই মেইল করার সুবিধা।
বিস্তারিত এখানে===http://www.poppeeper.com/
যেভাবে আইডি যোগ করবেনঃ
Accounts> Add থেকে Create Single Account এ ক্লিক করুন।

তারপর আপনার মেইল আইডি আর পাসওয়ার্ড দিয়ে নেক্সট দিয়ে দিয়ে Finish করুন। এভাবেই সব মেইল আইডি যুক্ত করুন। একবার লগ ইন করার পর আর কখনও লগ ইন করার প্রয়োজন হবে না। আর হ্যা এটা ১০০% নিরাপদ!
আপনি ইচ্ছা করলে পাসওয়ার্ড প্রটেক্টেড রাখতে পারেন যাতে কেউ মেইল না দেখতে পারে।
আর নতুন স্কিন পাবেন এখানে====http://www.poppeeper.com/Plugins/notify.php
ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://download.cnet.com/POP-Peeper/3000-2369_4-10069858.html?part=dl-85730&subj=dl&tag=button
POP Peeper v3.7.0.0 (1MB)
Supported OS's: Windows 95, 98, ME, 2000, XP, 2003, Vista, 2008, Windows 7; 32-bit or 64-bit platforms
তথ্যসূত্র:http://techtunes.com.bd/internet/tune-id/66363/
যে সকল কারনে আপনার ফেইসবুক একাউন্ট ব্যান হতে পারে
আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার অধিকারী ফেইসবুক ব্যবহার করছেন প্রতিদিন। শত শত বন্ধুর সাথে যোগাযোগ করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। একদিন ফেইসবুকে না ঢুকলে ভালো লাগে না। তবে আশংকার বিষয় হলো ফেইসবুক যেকোন সময় বিনা নোটিশে আপনার এই সখের একাউন্টটি বন্ধ করে দিতে পারে।

আর তাই আমাদের সবারই সতর্ক থাকা উচিত এবং জানা থাকা উচিত যে সকল কারনে একটি ফেইসবুক একাউন্ট ব্যান হতে পারে। এই পোস্টে ফেইসবুক একাউন্ট ব্যান হওয়ার অন্যতম কিছু কারন নিয়ে লিখছি।
পর্নগ্রাফীঃ
এটি ফেইসবুক একাউন্ট ব্যান হওয়ার একটি অন্যতম প্রধান কারন। আপনার ফেইসবুক প্রোফাইল বা অন্য কোথাও আপনি যদি এই ধরনের কোন ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করেন, তাহলে ফেইসবুক আপনার একাউন্ট ব্যান করবে কোন এবিউজ রিপোর্ট অথবা নোটিশ ছাড়া।
ভাষার অপব্যবহারঃ
স্টাটাস আপডেট অথবা ম্যাসেজ আদান-প্রদান এর সময় আপনার ভাষার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। বাজে ভাষা ব্যবহার করলে আপনার ফ্রেন্ড লিস্টে থাকা কেউ আপনার নামে রিপোর্ট করতে পারে এবং ফেইসবুক একাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
ভূয়া প্রোফাইলঃ
আপনি যদি আপনার নিজের নামের বদলে কোন সেলিব্রেটি অথবা অন্য কারও নাম ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার একাউন্ট বন্ধ করা হবে খুব তাড়াতাড়ি।
হুমকি দেয়াঃ
কাউকে হুমকি দেয়ার জন্য কখনোই আপনার ফেইসবুক একাউন্ট ব্যবহার করবেন না। এমনকি মজা করার জন্য হলেও না। ফেইসবুক এই বিষয়টি খুব গুরুত্বের সাথে নেয় এবং খুব দ্রুত একাউন্ট সাসপেন্ড করে দেয়।
স্প্যামিং করাঃ
শুধু ফেইসবুক না, পুরা ইন্টারনেট জগত এটিকে ঘৃনা করে। আপনার পন্য বা ওয়েব সাইট প্রোমোট করার জন্য ফেইসবুক একাউন্ট ব্যবহার না করাই ভালো। তবে একটি নির্দিস্ট সীমা পর্যন্ত এটি করা যেতে পারে যেটি স্প্যামিং এর পর্যায়ে পড়ে না।
অতিরিক্ত বন্ধু রিকোয়েস্টঃ
প্রতিদিন ২০টির বেশি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাবেন না। যত কম হয় ততই ভালো। ফেইসবুক একাউন্ট বন্ধ হবার এটি আরেকটি অন্যতম কারন।
অনেক গ্রুপে জয়েন করাঃ
খুব বেশি গ্রুপে জয়েন না করাই ভালো। ফেইসবুক এটি ভাল চোখে দেখে না। আর গ্রুপগুলো থেকে ম্যাসেজ এসে আপনার ইনবক্স ভর্তি হয়ে যাবে প্রতিদিন।
অতিরিক্ত ম্যাসেজঃ
আপনি যদি আপনার বন্ধুদের ওয়াল অথবা ইনবক্সে প্রতিদিন অনেক বেশি ম্যাসেজ পোস্ট করেন, তাহলে আপনার ফেইসবুক একাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আর একই ম্যাসেজ বার বার দিতে চাইলে সেখানে কিছুটা পরিবর্তন করে দিন। নাহলে ফেইসবুক এটি স্প্যাম হিসেবে ধরবে।
মূলত ফেইসবুক ব্যবহারের সময় এই বিষয়গুলোর দিকে একটু খেয়াল রাখলে আপনার ফেইসবুক একাউন্ট ব্যান হওয়ার কোন আশাংকা থাকবে না। আর ফেইসবুক ব্যবহারও হয়ে উঠবে মজার ও সাচ্ছন্দ্যময়।
IELTS পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ১৩ টি বই ফ্রি ডাউনলোড করুন।

http://www.loadly.com/fj0biwesblph/IELTS_Secrets.pdf

http://www.loadly.com/0bxoglsess17/Check_Your_English_Vocabulary_for_IELTS.pdf

http://www.loadly.com/zd2y65ug44tq/Target_Band_7__How_to_Maximize_Your_Score__IELTS.pdf

http://www.loadly.com/fw5gs4fply72/Cambridge-Action.Plan.for.IELTS.pdf

http://www.loadly.com/phb8isjlq08g/202+Useful+Exercises+for+IELTS.pdf

http://www.loadly.com/2yvgqbw8lpvi/ObjectiveIELTSIntermediateWorkbook.pdf

http://www.loadly.com/c05aouaiezms/Improve+your+IELTS+writing+skills.pdf

http://www.loadly.com/s6rqb74neaml/Kaplan_IELTS_2010_Edition.pdf

http://www.loadly.com/q0dvney4rogg/Insight_extra_into_IELTS.pdf

http://www.loadly.com/g0yk8o8d5ckk/Common+Mistakes+in+IELTS+-+Itermidiate.pdf

http://www.loadly.com/q5bqfoseextk/Barrons_IELTS.pdf

http://www.loadly.com/ios994v4vcyi/Focus_on_IELTS.pdf

http://www.loadly.com/arra0pvtljrs/Cambridge_Grammar_for_IELTS_Student.pdf
মোবাইল এর অসংখ্য সিমের নাম্বার বের করার সহজ ও কার্যকর উপায়।

যারা অনেক গুলো মোবাইল সিম ব্যাবহার করেন এবং কোনটার নাম্বার কি তা মনে রাখতে পারেন না তারা নিচের নাম্বার গুলো মোবাইল এ ডায়াল করে আপনার সিমের নাম্বার গুলো অনেক সহজেই জানতে পারেন>>
-
-
১। GP---*111*8*2# (prepaid)
২। GP---*111*8*3# (postpaid)
৩। ROBI---*140*2*4# or, call 1200 & press 4 (it's free)
৪। BANGLALINK---*666# or, *666*8*2#
৫। AIRTEL---*121*6*3# ALL SERVICES ARE FREE !!!!
বি: দ্র:- postpaid(ROBI,BANGLALINK,AIRTEL )এর সব সিমে কাজ করে না
অতি সহজেই ছবি থেকে মুছে ফেলুন অপ্রয়োজনীয় অংশ।
আমরা অনেকেই অনেক রকম ছবি তুলি। চিন্তা করে দেখুনতো এমন কি কোন সময় হয় নাই যে, সুন্দর একটা ছবি তুলছেন কিন্তু ছবিটার কিছু অংশ না থাকলে আরও সুন্দর লাগতো। হ্যা এরকম অনেক ছবিতেই হয়। তাই কিভাবে ছবির অপ্রয়োজনীয় অংশ মুছা যায় তাই নিয়ে আমার এই পোষ্ট।
আপনি যেই সফটও্যারের মাধ্যমে ছবির অপ্রয়োজনীয় অংশ মুছতে পারবেন তার নাম হল InPaint 2.3 যা ব্যবহার করা খুব সহজ। নিচের ছবিটি দেখুন

প্রথমে তিনটা গাছ ছিল কিন্তু পরে দেখা যাচ্ছে দুটা গাছ যা এই সফটও্যারের মাধ্যমে করা হয়েছে। ঠিক ঐ গাছটার মতো আপনিও আপনার ছবি থেকে যেকোন কিছু মুছে ফেলতে পারেন। ডাউনলোড করতে পারবেন এখান থেকে______
Download link = http://www.mediafire.com/file/ntw52dwikci/InPafr_janu123_www.dl4all.com.rar
এটি Free version না তবে Full version করা যাবে। প্রথমে Setup.exe ফাইলটি install করুন। তারপর Activate.exe নামের ফাইলটি Run করেন। এখন নিচের ছবির মত স্থানে click করুন।

ব্যাস হয়ে গেল Full version।
এখন আসি কিভাবে এই software দিয়ে কাজ করবেন।
প্রথমে একটি ছবি open করেন। এখন আপনি ছবিটির যে অংশটুকু মুছতে চান তা মাউস দিয়ে click করে করে ঠিক করে দিন। এরপর উপরে Run বাটনে click করে কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করুন। তারপর দেখুন মজা!!!!!!!!
তথ্যসূত্র:http://www.somewhereinblog.net/blog/HasanJubairbest/29259649
ও....কে কে সফলতার সহিত কাজটা করতে পেরেছেন,কমেন্টে জানান......আর যাদের জিনিসটা কাজের মনে হয়েছে.....তারা শেয়ার বাটনে ক্লিক করতে ভুলবেন না প্লিজ....
আপনি যেই সফটও্যারের মাধ্যমে ছবির অপ্রয়োজনীয় অংশ মুছতে পারবেন তার নাম হল InPaint 2.3 যা ব্যবহার করা খুব সহজ। নিচের ছবিটি দেখুন

প্রথমে তিনটা গাছ ছিল কিন্তু পরে দেখা যাচ্ছে দুটা গাছ যা এই সফটও্যারের মাধ্যমে করা হয়েছে। ঠিক ঐ গাছটার মতো আপনিও আপনার ছবি থেকে যেকোন কিছু মুছে ফেলতে পারেন। ডাউনলোড করতে পারবেন এখান থেকে______
Download link = http://www.mediafire.com/file/ntw52dwikci/InPafr_janu123_www.dl4all.com.rar
এটি Free version না তবে Full version করা যাবে। প্রথমে Setup.exe ফাইলটি install করুন। তারপর Activate.exe নামের ফাইলটি Run করেন। এখন নিচের ছবির মত স্থানে click করুন।

ব্যাস হয়ে গেল Full version।
এখন আসি কিভাবে এই software দিয়ে কাজ করবেন।
প্রথমে একটি ছবি open করেন। এখন আপনি ছবিটির যে অংশটুকু মুছতে চান তা মাউস দিয়ে click করে করে ঠিক করে দিন। এরপর উপরে Run বাটনে click করে কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করুন। তারপর দেখুন মজা!!!!!!!!
তথ্যসূত্র:http://www.somewhereinblog.net/blog/HasanJubairbest/29259649
ও....কে কে সফলতার সহিত কাজটা করতে পেরেছেন,কমেন্টে জানান......আর যাদের জিনিসটা কাজের মনে হয়েছে.....তারা শেয়ার বাটনে ক্লিক করতে ভুলবেন না প্লিজ....
জেনে নিন মজিলা ফায়ারফক্সের টুকিটাকি____
আমরা অকেকেই নেট ব্রাউজিং এর জন্য মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করি।... এর কিছু র্সটকাট-কি মনে রাখতে পারলে অনেক ধ্রুত ব্রাউজিং সম্ভব।
যেমন,আপনি একটি সফটওয়ারের খোঁজ পেলেন,যা আপনার মোবাইলে চলবে কিনা আপনি জানেন না।
আপনি,সেই সফটওয়ারটি যে সকল মোবাইলে চলবে,নেট ঘেটে তার লিষ্ট বের করলেন,এখন আপনি বিশাল এই লিস্ট থেকে নিজের সেটের নাম বের করার কষ্টটুকু কমিয়ে আনতে পারেন,যদি আপনার মজিলা ফায়ারফক্স এর একটি সর্টকাট-কি মনে থাকে।এর জন্য আপনি Ctrl+F চেপে,নিচে যে Find এর বক্স আসবে,তাতে আপনার সেটের নামটি দিয়ে দিলেই হল।মজিলা ফায়ারফক্স নিজেই সেই লিষ্ট ঘেটে আপনার সেট যদি লিষ্টে থেকে থাকে,তবে তা দেখিয়ে দিবে।এতে আপনার সময় এবং শ্রম,উভয়েই কম খরচ হবে।
তাহলে চলুন জেনে নেই এমন আরও কিছু সর্টকাট-কি____
CTRL + A Select all text on a web page
CTRL + B Open the Bookmarks sidebar
CTRL + C Copy the selected text to the Windows clipboard
CTRL + D Bookmark the current web page
CTRL + F Find text within the current web page
CTRL + G Find more text within the same web page
CTRL + H Opens the web page History sidebar
CTRL + I Open the Bookmarks sidebar
CTRL + J Opens the Download Dialogue Box
CTRL + K Places the cursor in the Web Search box ready to type your search
CTRL + L Places the cursor into the URL box ready to type a website address
CTRL + M Opens your mail program (if you have one) to create a new email message
CTRL + N Opens a new Firefox window
CTRL + O Open a local file
CTRL + P Print the current web page
CTRL + R Reloads the current web page
CTRL + S Save the current web page on your PC
CTRL + T Opens a new Firefox Tab
CTRL + U View the page source of the current web page
CTRL + V Paste the contents of the Windows clipboard
CTRL + W Closes the current Firefox Tab or Window (if more than one tab is open)
CTRL + X Cut the selected text
CTRL + Z Undo the last action
প্রত্যেকে একবার ব্যবহার করে জানান____
আজ আপনাদের এই টিপসের সাথে বোনাস রূপে অনেক গুলো জোস্ মজিলা ফায়ারফক্সের ওয়ালপেপার ডাউনলোডের একটি সাইট দিচ্ছি।----
http://gnoted.com/80-high-qual ity-mozilla-firefox-wallpapers /
www.facebook.com/tipsmela
যেমন,আপনি একটি সফটওয়ারের খোঁজ পেলেন,যা আপনার মোবাইলে চলবে কিনা আপনি জানেন না।
আপনি,সেই সফটওয়ারটি যে সকল মোবাইলে চলবে,নেট ঘেটে তার লিষ্ট বের করলেন,এখন আপনি বিশাল এই লিস্ট থেকে নিজের সেটের নাম বের করার কষ্টটুকু কমিয়ে আনতে পারেন,যদি আপনার মজিলা ফায়ারফক্স এর একটি সর্টকাট-কি মনে থাকে।এর জন্য আপনি Ctrl+F চেপে,নিচে যে Find এর বক্স আসবে,তাতে আপনার সেটের নামটি দিয়ে দিলেই হল।মজিলা ফায়ারফক্স নিজেই সেই লিষ্ট ঘেটে আপনার সেট যদি লিষ্টে থেকে থাকে,তবে তা দেখিয়ে দিবে।এতে আপনার সময় এবং শ্রম,উভয়েই কম খরচ হবে।
তাহলে চলুন জেনে নেই এমন আরও কিছু সর্টকাট-কি____
CTRL + A Select all text on a web page
CTRL + B Open the Bookmarks sidebar
CTRL + C Copy the selected text to the Windows clipboard
CTRL + D Bookmark the current web page
CTRL + F Find text within the current web page
CTRL + G Find more text within the same web page
CTRL + H Opens the web page History sidebar
CTRL + I Open the Bookmarks sidebar
CTRL + J Opens the Download Dialogue Box
CTRL + K Places the cursor in the Web Search box ready to type your search
CTRL + L Places the cursor into the URL box ready to type a website address
CTRL + M Opens your mail program (if you have one) to create a new email message
CTRL + N Opens a new Firefox window
CTRL + O Open a local file
CTRL + P Print the current web page
CTRL + R Reloads the current web page
CTRL + S Save the current web page on your PC
CTRL + T Opens a new Firefox Tab
CTRL + U View the page source of the current web page
CTRL + V Paste the contents of the Windows clipboard
CTRL + W Closes the current Firefox Tab or Window (if more than one tab is open)
CTRL + X Cut the selected text
CTRL + Z Undo the last action
প্রত্যেকে একবার ব্যবহার করে জানান____
আজ আপনাদের এই টিপসের সাথে বোনাস রূপে অনেক গুলো জোস্ মজিলা ফায়ারফক্সের ওয়ালপেপার ডাউনলোডের একটি সাইট দিচ্ছি।----
http://gnoted.com/80-high-qual
www.facebook.com/tipsmela
জেনে নিন আপনার কী-বোর্ডের সবগুলো সর্টকাট
আমরা অনেকেই আমাদের কী-বোর্ডের সবগুলো সর্টকাট জানিনা...বা জানলেও ব্যবহারে উৎসাহি না।
কিন্তু,যদি আপনি যদি আপনার পিসির সবগুলো ব্যবহারে অভ্যস্ত হন,তবে আপনি অনেক দ্রুত কম্পিউটার অপারেট করতে পারবেন+আপনার মাউস ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা অনেক কমে যাবে।আর এই সর্টকাট জানা থাকলে,আপনি জরুরি সময়,ধরুন কোনো কারনে আপনার মাউস নষ্ট হয়ে গেলে, পিসির কাজ গুলো কী-বোর্ড দিয়েই সারতে ...পারবেন।
অথবা ধরুন,কারো পিসিতে মাই কম্পিউটার অপসানটি নেই[আমার র্ভাসিটির ল্যবের অনেক পিসিতে ছিলো না]....সেক্ষত্রে আপনি Windows key + E চেপে মাই কম্পিউটার ওপেন করতে পারবেন।
তাই এই সর্টকাট গুলো সকলের জেনে নেয়া অতীব জরুরী।নিচে সর্টকাট গুলো দেয়া হলো___
• Windows key - access Start menu
• Windows key + Pause - open System Properties
• Windows key + D - minimise/restore windows
• Windows key + F - open Search window
• Windows key + F1 - open Help and Support Center
• Windows key + E - open Windows Explorer window
• Windows key + M - minimise all windows
• Windows key + TAB - move through open windows on Taskbar
• Windows key + SHIFT + M - restore all windows
• Hold CTRL while dragging - make a copy of selected item
• Hold CTRL + SHIFT while dragging - make a shortcut to selected item
• CTRL + ESC - open Start menu
• CTRL + C - Copy
• CTRL + X - Cut
• CTRL + V - Paste
• CTRL + A - Select All
• CTRL + Z - Undo
• CTRL + B - Bold highlighted text
• CTRL + U - Underline highlighted text
• CTRL + I - Italicise highlighted text
• CTRL + Plus key - increase browser text size
• CTRL + Minus key - decrease browser text size
• CTRL + ALT + DELETE - open Task Manager
• ALT + underlined letters in menus - open menu item
• ALT + ENTER - show Properties of selected object
• ALT + F4 - close current window or program
• CTRL + F4 - close window within program
• ALT + TAB - switch between open windows or programs
• TAB - move forwards through control items or links in current window
• SHIFT + TAB - move backwards through control items or links
• ENTER - click selected control item or link
• BACKSPACE - move up one folder level
• HOME - go to start of current line or web page
• END - go to end of current line or web page
• CTRL + END - go to end of current document
• PAGE UP - move up through current document or web page
• PAGE DOWN - move down through current document or web page
• PRINT SCREEN - take snapshot image of current screen
• ALT + PRINT SCREEN - take snapshot image of current window
• F2 - rename selected item
• F5 - refresh current window or web page
• F6 - move through window panes
প্রত্যেকে একবার করে ব্যবহার করে দেখুন।তাহলে অতি সহজেই বুঝতে পারবেন,কোন সর্টকাটের কি কাজ____
আর দয়া করে সকলেই শেয়ার বাটনে ক্লিক করে,এই ট্রিকসটি আপনার বন্ধুদের সবাইকে জানাতে,আমাদের সহায়তা করুন।
কিন্তু,যদি আপনি যদি আপনার পিসির সবগুলো ব্যবহারে অভ্যস্ত হন,তবে আপনি অনেক দ্রুত কম্পিউটার অপারেট করতে পারবেন+আপনার মাউস ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা অনেক কমে যাবে।আর এই সর্টকাট জানা থাকলে,আপনি জরুরি সময়,ধরুন কোনো কারনে আপনার মাউস নষ্ট হয়ে গেলে, পিসির কাজ গুলো কী-বোর্ড দিয়েই সারতে ...পারবেন।
অথবা ধরুন,কারো পিসিতে মাই কম্পিউটার অপসানটি নেই[আমার র্ভাসিটির ল্যবের অনেক পিসিতে ছিলো না]....সেক্ষত্রে আপনি Windows key + E চেপে মাই কম্পিউটার ওপেন করতে পারবেন।
তাই এই সর্টকাট গুলো সকলের জেনে নেয়া অতীব জরুরী।নিচে সর্টকাট গুলো দেয়া হলো___
• Windows key - access Start menu
• Windows key + Pause - open System Properties
• Windows key + D - minimise/restore windows
• Windows key + F - open Search window
• Windows key + F1 - open Help and Support Center
• Windows key + E - open Windows Explorer window
• Windows key + M - minimise all windows
• Windows key + TAB - move through open windows on Taskbar
• Windows key + SHIFT + M - restore all windows
• Hold CTRL while dragging - make a copy of selected item
• Hold CTRL + SHIFT while dragging - make a shortcut to selected item
• CTRL + ESC - open Start menu
• CTRL + C - Copy
• CTRL + X - Cut
• CTRL + V - Paste
• CTRL + A - Select All
• CTRL + Z - Undo
• CTRL + B - Bold highlighted text
• CTRL + U - Underline highlighted text
• CTRL + I - Italicise highlighted text
• CTRL + Plus key - increase browser text size
• CTRL + Minus key - decrease browser text size
• CTRL + ALT + DELETE - open Task Manager
• ALT + underlined letters in menus - open menu item
• ALT + ENTER - show Properties of selected object
• ALT + F4 - close current window or program
• CTRL + F4 - close window within program
• ALT + TAB - switch between open windows or programs
• TAB - move forwards through control items or links in current window
• SHIFT + TAB - move backwards through control items or links
• ENTER - click selected control item or link
• BACKSPACE - move up one folder level
• HOME - go to start of current line or web page
• END - go to end of current line or web page
• CTRL + END - go to end of current document
• PAGE UP - move up through current document or web page
• PAGE DOWN - move down through current document or web page
• PRINT SCREEN - take snapshot image of current screen
• ALT + PRINT SCREEN - take snapshot image of current window
• F2 - rename selected item
• F5 - refresh current window or web page
• F6 - move through window panes
প্রত্যেকে একবার করে ব্যবহার করে দেখুন।তাহলে অতি সহজেই বুঝতে পারবেন,কোন সর্টকাটের কি কাজ____
আর দয়া করে সকলেই শেয়ার বাটনে ক্লিক করে,এই ট্রিকসটি আপনার বন্ধুদের সবাইকে জানাতে,আমাদের সহায়তা করুন।
পিসি দ্রুততর করার দশটি সহজ টিপস
১/ কমপিউটার বুটআপ হয়ে ডেস্কটপে পুরোপুরি আসতে দিন , পুরোপুরি এসে স্টেবল হবার আগেই কোন আ্যাপ্লিকেশন স্টার্ট না করাই ভাল ।
২/ কোন এ্যাপ্লিকেশন বা প্রোগ্রাম ক্লোজ করার পর একবার হলেও ডেস্কটপ রিফ্রেশ করুন ডেস্কটপে রাইট মাউস ক্লিক করে , এতে সিস্টেম র্যাম থেকে অপ্রয়োজনীয়, অব্যবহৃত, পরিত্যক্ত ফাইল ঝরে যাবে ।
৩/ বড় সাইজের ইমেজ বা ছবি ওয়ালপেপার হিসেবে ইউজ করা থেকে বিরত থাকুন , র্যাম বেশি কম হলে ওয়ালপেপার ইউজ না করাই ভাল ।
৪/ খামোখা অজস্র শর্টকাট আইকন দিয়ে ডেস্কটপ ভরে ফেলবেন না , কারণ প্রতিটি শর্টকাট কমপক্ষে র্যামের ৫০০ বাইট দখল করে রাখে যা টোটাল সিস্টেম পারফরমেন্স কমিয়ে দিয়ে সিস্টেম স্লো করে দেয় । বেশি দরকারী হলে প্রয়োজনে ডেস্কটপে একটি ফোল্ডার বানিয়ে তাতে শর্টকাটগুলো পেস্ট করে রাখতে পারেন ।
৫/ রিসাইকেল বিন সবসময় খালি করে রাখুন । রিসাইকেল বিন খালি না করা পর্যন্ত আপনার হার্ডড্রাইভ থেকে ফাইলগুলো কিন্তু আসলে ডিলিট হয় না ।
৬/ টেম্পোরারি ইন্টারনেট ফাইলস যা সাধারণতঃ c:\windows ফোল্ডারে থাকে রেগুলার ডিলিট করবেন । অথবা স্টার্ট মেনু> একসেসরিজ থেকে 'ডিস্ক ক্লিন আপ' অপশন ব্যবহার করেও করতে পারেন ।
৭/ ফাইলগুলো ডিফ্র্যাগমেন্ট করে রাখুন অন্ততঃ প্রতি দু'মাসে একবার , এর ফলে আপনার হার্ডড্রাইভে অনেক খালি জায়গার সংস্থান হবে এবং ফাইলগুলো সুসংবদ্ধভাবে সজ্জিত হবে যার কারণে আপনার এ্যাপ্লিকেশনগুলো দ্রুততর হবে ।
৮/ সবসময় একাধিক পার্টিশন রাখুন হার্ডড্রাইভে , পিএসপি, ফটোশপ বা ৩ডি স্টুডিও ম্যাক্স এর মত বড় সফটও্য়্যারগুলো সেকেন্ড পার্টিশনে রাখুন , c:\ তে রাখবেন না , কারণ উইন্ডোজ আপনার হার্ডড্রাইভের এভেইলেবল পুরো জায়গাটাই ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করে , যখন সিস্টেম র্যাম যথেষ্ট না হয় তখন এই জায়গাটাকে র্যাম হিসেবে ব্যবহার করে । কাজেই c:\ ড্রাইভ যতটা সম্ভব খালি রাখুন ।
৯/ যখনই নতুন সফটও্য়্যার ইনস্টল করবেন তখন খেয়াল করে সেটির সিস্টেম ট্রে শর্টকাট বাদ দিন , সিস্টেম ট্রের আইকনগুলো র্যাম ধরে রাখে যার ফলে পিসি স্লো হয়ে যায় , পরে টুলস বা প্রেফারেন্সেস মেনু থেকে বুটআপের সময় অনেক প্রোগ্রাম(উইন্ডোজের ছাড়া) স্টার্ট অপশন থাকে সেগুলোও বাদ দিন । ফলে বুটআপ দ্রুততর হবে ।
১০/ ধুলোবালি থেকে পিসিকে পরিষ্কার রাখুন ।ধূলোবালি আপনার CPU বা প্রসেসরের কুলিং ফ্যান জ্যাম করে দেয় ফলে এটি আর প্রসেসরকে যথার্থভাবে ঠান্ডা করতে পারে না , যার কারণে পর্যায়ক্রমে CPU গরম হতে থাকে এবং এটার প্রভাবে প্রসেসিং স্পিড স্লো হয়ে যায় । কাজেই CPU পরিষ্কার রাখুন ব্লোয়ার দিয়ে এবং সম্ভব হলে একাধিক কুলিং ফ্যান লাগান
২/ কোন এ্যাপ্লিকেশন বা প্রোগ্রাম ক্লোজ করার পর একবার হলেও ডেস্কটপ রিফ্রেশ করুন ডেস্কটপে রাইট মাউস ক্লিক করে , এতে সিস্টেম র্যাম থেকে অপ্রয়োজনীয়, অব্যবহৃত, পরিত্যক্ত ফাইল ঝরে যাবে ।
৩/ বড় সাইজের ইমেজ বা ছবি ওয়ালপেপার হিসেবে ইউজ করা থেকে বিরত থাকুন , র্যাম বেশি কম হলে ওয়ালপেপার ইউজ না করাই ভাল ।
৪/ খামোখা অজস্র শর্টকাট আইকন দিয়ে ডেস্কটপ ভরে ফেলবেন না , কারণ প্রতিটি শর্টকাট কমপক্ষে র্যামের ৫০০ বাইট দখল করে রাখে যা টোটাল সিস্টেম পারফরমেন্স কমিয়ে দিয়ে সিস্টেম স্লো করে দেয় । বেশি দরকারী হলে প্রয়োজনে ডেস্কটপে একটি ফোল্ডার বানিয়ে তাতে শর্টকাটগুলো পেস্ট করে রাখতে পারেন ।
৫/ রিসাইকেল বিন সবসময় খালি করে রাখুন । রিসাইকেল বিন খালি না করা পর্যন্ত আপনার হার্ডড্রাইভ থেকে ফাইলগুলো কিন্তু আসলে ডিলিট হয় না ।
৬/ টেম্পোরারি ইন্টারনেট ফাইলস যা সাধারণতঃ c:\windows ফোল্ডারে থাকে রেগুলার ডিলিট করবেন । অথবা স্টার্ট মেনু> একসেসরিজ থেকে 'ডিস্ক ক্লিন আপ' অপশন ব্যবহার করেও করতে পারেন ।
৭/ ফাইলগুলো ডিফ্র্যাগমেন্ট করে রাখুন অন্ততঃ প্রতি দু'মাসে একবার , এর ফলে আপনার হার্ডড্রাইভে অনেক খালি জায়গার সংস্থান হবে এবং ফাইলগুলো সুসংবদ্ধভাবে সজ্জিত হবে যার কারণে আপনার এ্যাপ্লিকেশনগুলো দ্রুততর হবে ।
৮/ সবসময় একাধিক পার্টিশন রাখুন হার্ডড্রাইভে , পিএসপি, ফটোশপ বা ৩ডি স্টুডিও ম্যাক্স এর মত বড় সফটও্য়্যারগুলো সেকেন্ড পার্টিশনে রাখুন , c:\ তে রাখবেন না , কারণ উইন্ডোজ আপনার হার্ডড্রাইভের এভেইলেবল পুরো জায়গাটাই ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করে , যখন সিস্টেম র্যাম যথেষ্ট না হয় তখন এই জায়গাটাকে র্যাম হিসেবে ব্যবহার করে । কাজেই c:\ ড্রাইভ যতটা সম্ভব খালি রাখুন ।
৯/ যখনই নতুন সফটও্য়্যার ইনস্টল করবেন তখন খেয়াল করে সেটির সিস্টেম ট্রে শর্টকাট বাদ দিন , সিস্টেম ট্রের আইকনগুলো র্যাম ধরে রাখে যার ফলে পিসি স্লো হয়ে যায় , পরে টুলস বা প্রেফারেন্সেস মেনু থেকে বুটআপের সময় অনেক প্রোগ্রাম(উইন্ডোজের ছাড়া) স্টার্ট অপশন থাকে সেগুলোও বাদ দিন । ফলে বুটআপ দ্রুততর হবে ।
১০/ ধুলোবালি থেকে পিসিকে পরিষ্কার রাখুন ।ধূলোবালি আপনার CPU বা প্রসেসরের কুলিং ফ্যান জ্যাম করে দেয় ফলে এটি আর প্রসেসরকে যথার্থভাবে ঠান্ডা করতে পারে না , যার কারণে পর্যায়ক্রমে CPU গরম হতে থাকে এবং এটার প্রভাবে প্রসেসিং স্পিড স্লো হয়ে যায় । কাজেই CPU পরিষ্কার রাখুন ব্লোয়ার দিয়ে এবং সম্ভব হলে একাধিক কুলিং ফ্যান লাগান
ফেসবুকের নতুন ফিচার ফেসবুক টাইমলাইন( Facebook Timeline) এক্টিভেট করে নতুন ভাবে সাজিয়ে নিন আপনার প্রোফাইলে খুব সহজে.....
সম্প্রতি আমেরিকায় সানফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ফেসবুক ডেভোলোপারদের সম্মেলন "f8"। সম্মেলনে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মার্ক জুকেরবার্গ ফেসবুকের নতুন ফিচার ফেসবুক টাইমলাইন [https://www.facebook.com/about/timeline] উন্মোচন করেন। নতুন এই ফিচারের মাধ্যমে যেকোন ব্যাবহারকারী তার ফেসবুকের সব ইতিহাস তার প্রোফাইলে দেখতে পারবেন। চাইলে তা সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিতে পারবেন। এক কথায় বলা যায় আপনার ফেসবুকের প্রফাইলের চেহারা সম্পূর্ন নতুন আঙ্গিকে সাজাবে এই ফেসবুক টাইমলাইন।

কিভাবে একটিভেট করবেনঃ
১. প্রথমে ফেসবুকে লগ ইন করুন আপনার আইডি দিয়ে।
২. ফেসবুক ডেভেলপার এই লিঙ্কে [https://developers.facebook.com/apps] গিয়ে Allow বাটনে ক্লিক করুন।
৩. Allow করার পর নিচের ছবির মতন একটি পেইজ আসবে যেখানে Create New App অপশনে ক্লিক করুন।

৪. ক্লিক করলে নিচের ছবির মত একটি বক্স আসবে যেখানে আপনার নিজের ইচ্ছা মত Display Name, Namespace দিয়ে "I agree to the Platform Privacy Policy" তে ক্লিক করে Continue করবেন।

৫. এরপর নিচের ছবির মত একটি বক্স আসবে সেখানে সিকিউরিটি চেক বক্সের ভিতর যেই ইংরেজি লিখাটি আছে সেটা টাইপ করে Submit বাটনে ক্লিক করবেন।

৬. এর পর নিচের ছবির মত একটি পেইজ আসবে সেখানে তীর চিহ্নিত Open Graph এ ক্লিক করুন।

৭. এরপর নতুন একটি পেইজ আসবে নিচের ছবিটির মতন। এখানে টেস্ট একশন হিসেবে people can বক্সে "watch"/"read" a "movie"/"book" যেকোন একটি লিখে Get Started এ ক্লিক করুন।

৮. এখন নিচের ছবির মতন একটি পেইজ আসবে যেখানের সবচেয়ে নীচে save and next অপশনের ক্লিক করবেন।

৯. পুনরায় save and next অপশনে ক্লিক করবেন।
১০. এবার save and finish অপশনে ক্লিক করুন।
১১. ২-৩মিনিট অপেক্ষা করুন।
১২. http://www.facebook.com লিঙ্কে ফিরে যান।
১৩. হোমপেইজের উপরে নিচের ছবির মত একটি বক্স আসবে Get it now ক্লিক করুন

১৪. এরপর যদি সরাসরি টাইমলাইন ট্যাবে চলে যায় তাহলে বুঝতে হবে আপনি সফলতার সাথে ফেসবুক টাইমলাইন একটিভেট করেছেন।
১৫. এখন আপনার প্রোফাইলে ক্লিক করেই পেয়ে যাবেন ফেসবুকের একেবারে নতুন ফিচার ফেসবুক টাইমলাইন।
১৬. যদি এই পোস্ট ভালো লেগে থাকে/আপনাদের সাহায্য করে থাকে তাহলে এই পোস্টটি শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের জানিয়ে দিন কিভাবে এক্টিভেট করতে হয় ফেসবুক টাইমলাইন এবং কে কে ফেসবুক টাইমলাইন চালু করতে সফল হয়েছেন.....কমেন্টে জানান
১৭.আপনারা যারা আপনাদের Account mobile number দিয়ে verify করেননি,তাদেরটা Facebook fake হিসেবে detect করবে.....
এই ফিচারটি কেবল যারা ফেসবুকের ডেভলাপার,তাদের জন্য।এখন যাদের একাউন্ট অথেন্টিক না,তাদের ডেভলাপার হতে প্রবলেম হবে,আগে থেকে আপনাদের একাউন্টটি মোবাইল দিয়ে ভেরিফাই না করা থাকলে সমস্যা হবে....
১৮. এই ফিচারটি ফেসবুকে একেবারে নতুন।শুধুমাত্র ফেসবুক ডেভেলোপাররাই এটা সরাসরি এখনই পেয়েছে। আপনার এত ঘুরিয়ে পেচিয়ে একটিভেট করা লাগল কারন আপনি এতদিন ফেসবুক ডেভেলোপার ছিলেন না। এখন যারা ফেসবুক ডেভেলোপার তারাই আপনার প্রোফাইলে ক্লিক করলে ফেসবুক টাইমলাইন দেখতে পাবেন। নাহলে তারা আগের মত নরমাল প্রোফাইলই দেখতে পাবে। তাই সবাইকে সাজেস্ট করুন যাতে সবাই এভাবে নিজেদের প্রোফাইল আপডেট করে নেয়। আজ হোক কাল হোক এক মাস পর সবার প্রোফাইলই এভাবে চেঞ্জ করবে ফেসবুক। আপনি নাহয় আগে চেঞ্জ করে সবার থেকে একটু এগিয়ে থাকলেন।সবাইকে জানাতে হলে,আপনাকে নিচের শেয়ার বাটনে ক্লিক করতে হবে।প্লিইজ.....আপনারা জিনিসটা শেয়ার করুন,নতুবা আপনার টাইমলাইন,যে সকল বন্ধু তার প্রোফাইলে টাইমলাইন চালু করেনি,তারা দেখতে পাবে না।

কিভাবে একটিভেট করবেনঃ
১. প্রথমে ফেসবুকে লগ ইন করুন আপনার আইডি দিয়ে।
২. ফেসবুক ডেভেলপার এই লিঙ্কে [https://developers.facebook.com/apps] গিয়ে Allow বাটনে ক্লিক করুন।
৩. Allow করার পর নিচের ছবির মতন একটি পেইজ আসবে যেখানে Create New App অপশনে ক্লিক করুন।

৪. ক্লিক করলে নিচের ছবির মত একটি বক্স আসবে যেখানে আপনার নিজের ইচ্ছা মত Display Name, Namespace দিয়ে "I agree to the Platform Privacy Policy" তে ক্লিক করে Continue করবেন।

৫. এরপর নিচের ছবির মত একটি বক্স আসবে সেখানে সিকিউরিটি চেক বক্সের ভিতর যেই ইংরেজি লিখাটি আছে সেটা টাইপ করে Submit বাটনে ক্লিক করবেন।

৬. এর পর নিচের ছবির মত একটি পেইজ আসবে সেখানে তীর চিহ্নিত Open Graph এ ক্লিক করুন।

৭. এরপর নতুন একটি পেইজ আসবে নিচের ছবিটির মতন। এখানে টেস্ট একশন হিসেবে people can বক্সে "watch"/"read" a "movie"/"book" যেকোন একটি লিখে Get Started এ ক্লিক করুন।

৮. এখন নিচের ছবির মতন একটি পেইজ আসবে যেখানের সবচেয়ে নীচে save and next অপশনের ক্লিক করবেন।

৯. পুনরায় save and next অপশনে ক্লিক করবেন।
১০. এবার save and finish অপশনে ক্লিক করুন।
১১. ২-৩মিনিট অপেক্ষা করুন।
১২. http://www.facebook.com লিঙ্কে ফিরে যান।
১৩. হোমপেইজের উপরে নিচের ছবির মত একটি বক্স আসবে Get it now ক্লিক করুন

১৪. এরপর যদি সরাসরি টাইমলাইন ট্যাবে চলে যায় তাহলে বুঝতে হবে আপনি সফলতার সাথে ফেসবুক টাইমলাইন একটিভেট করেছেন।
১৫. এখন আপনার প্রোফাইলে ক্লিক করেই পেয়ে যাবেন ফেসবুকের একেবারে নতুন ফিচার ফেসবুক টাইমলাইন।
১৬. যদি এই পোস্ট ভালো লেগে থাকে/আপনাদের সাহায্য করে থাকে তাহলে এই পোস্টটি শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের জানিয়ে দিন কিভাবে এক্টিভেট করতে হয় ফেসবুক টাইমলাইন এবং কে কে ফেসবুক টাইমলাইন চালু করতে সফল হয়েছেন.....কমেন্টে জানান
১৭.আপনারা যারা আপনাদের Account mobile number দিয়ে verify করেননি,তাদেরটা Facebook fake হিসেবে detect করবে.....
এই ফিচারটি কেবল যারা ফেসবুকের ডেভলাপার,তাদের জন্য।এখন যাদের একাউন্ট অথেন্টিক না,তাদের ডেভলাপার হতে প্রবলেম হবে,আগে থেকে আপনাদের একাউন্টটি মোবাইল দিয়ে ভেরিফাই না করা থাকলে সমস্যা হবে....
১৮. এই ফিচারটি ফেসবুকে একেবারে নতুন।শুধুমাত্র ফেসবুক ডেভেলোপাররাই এটা সরাসরি এখনই পেয়েছে। আপনার এত ঘুরিয়ে পেচিয়ে একটিভেট করা লাগল কারন আপনি এতদিন ফেসবুক ডেভেলোপার ছিলেন না। এখন যারা ফেসবুক ডেভেলোপার তারাই আপনার প্রোফাইলে ক্লিক করলে ফেসবুক টাইমলাইন দেখতে পাবেন। নাহলে তারা আগের মত নরমাল প্রোফাইলই দেখতে পাবে। তাই সবাইকে সাজেস্ট করুন যাতে সবাই এভাবে নিজেদের প্রোফাইল আপডেট করে নেয়। আজ হোক কাল হোক এক মাস পর সবার প্রোফাইলই এভাবে চেঞ্জ করবে ফেসবুক। আপনি নাহয় আগে চেঞ্জ করে সবার থেকে একটু এগিয়ে থাকলেন।সবাইকে জানাতে হলে,আপনাকে নিচের শেয়ার বাটনে ক্লিক করতে হবে।প্লিইজ.....আপনারা জিনিসটা শেয়ার করুন,নতুবা আপনার টাইমলাইন,যে সকল বন্ধু তার প্রোফাইলে টাইমলাইন চালু করেনি,তারা দেখতে পাবে না।
Subscribe to:
Posts (Atom)